আইনি যা সুবিধা সবই পাবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনগতভাবে যা যা সুবিধা পাওয়ার কথা, সেগুলো পাবেন সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি জানান, তার (সাবেক রাষ্ট্রপতি) প্রটেকশনের জন্য এসএসএফ, পিজিআরসহ ছয় মাসের একটা বিধান আছে। ছয় মাসের প্রটেকশনের সুযোগ তিনি পাবেন। এছাড়া পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার পক্ষ থেকে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনানুগভাবে তিনি যা সুযোগ-সুবিধা সবই পাবেন।

আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‌‘পুলিশের সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে এনসিপিসহ বিরোধী দলগুলো সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে এ বিষয়ে সরকার আমলে নেওয়ার মতো কোনো বিষয় দেখেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, ‘এখন যারা তার (সাবেক রাষ্ট্রপতি) বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের সেটা অধিকার আছে। আমরা গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে কী প্রত্যাশা করি? রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা থাকবে। সেটা আছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিরোধীদলের পক্ষ থেকে এনসিপি এবং অন্যান্যরা তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ উত্থাপন করছে। সেটা করতে পারে। কিন্তু আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বক্তব্য ওখানে নেই।’

গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে লন্ডনে গিয়ে ফোনালাপ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। এমন দাবি করে সংবাদ প্রকাশ করেছিল দেশের একটি জাতীয় দৈনিক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পত্রিকায় দেখেছি। কোনো পত্রিকা এরকম একটা নিউজ দিল, কী তথ্য প্রমাণ আছে সেটা তাকেই জিজ্ঞেস করতে হয়। আমাদের কাছে সে রকম কোনো তথ্য নেই। আর কথা বলার জন্য লন্ডন যেতে হয় নাকি? আজকালকার ইন্টারনেটের দুনিয়ায় লন্ডন গিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলতে হয় না, এটা আমার কাছে অলিক মনে হয়। কথা বলতে চাইলে তো এখান থেকেও বলা যায়।’

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তিনি দুদক ও ব্যাংকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছিলেন। তখনকার সময়ের কোনো বিষয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনানুসারে চলবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেই সময় দায়িত্ব পালনকালীন তার বিরুদ্ধে কি কোনো অভিযোগ কেউ দিয়েছিল? দিয়ে থাকলে সেটা তখনকার সময়ে যদি কোনো কিছুর রেকর্ড করে থাকে সেটা তখনকার বিষয়, বিধি-বিধান অনুসারে চলবে, আইনানুসারে চলবে।’

গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিন বছর তিন মাস দায়িত্বে ছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।

পূর্বের খবরনীতিমালার খসড়া প্রকাশ: নিবন্ধন ছাড়া বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না ফেসবুক-ইউটিউব
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!