ভিনিউজ : দুই দশকের যাত্রা শেষ। আর্জেন্টিনার নীল সাদা জার্সিতে শেষবার মাঠে নামলেন লিওনেল মেসি। দেশের হয়ে ২০৮তম ম্যাচ। দুটি অ্যাসিস্ট, একটা পেনাল্টি শটে শেষ ম্যাচেও ম্যাজিক দেখালেন ফুটবল বিশ্বের এই মহাতারকা। বেনিনের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জিতল আলবিসেলেস্টে। শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে জীবনের ১২৬তম গোলও করলেন তিনি।
আর্জেন্টিনার এল মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে উপচে পরা ভিড় ছিল। ৩৯ বছরের মেসি ৭১ মিনিটে পেনাল্টি শটে গোল করেন। একই সঙ্গেই অবসর গ্রহণ করবেন ওটামেন্ডি। মেসির পাসে তার প্রথম গোল। ফুটবল বিশ্বে চর্চা, মেসির পর তার ১০ নম্বর জার্সি পাবেন নিকো পাজ। সেই পাজকে পাস দিয়েই দ্বিতীয় গোল।
শেষ বাঁশি বাজতেই আকাশে ড্রোনের আলোতে ভেসে উঠলো, গ্রাসিয়াস, লিও। ধন্যবাদ, লিও। খেলা শেষে আবেগতাড়িত মেসি বলেন, ‘এই শার্টটাকে ধন্যবাদ দেওয়া ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই নেই। ২০ বছর ধরে, কঠিনতম সময়েও, আমি আমার সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি এখানে পৌঁছনোর জন্য। আর্জেন্টিনার হয়ে আর না খেলতে পারা আমাকে কষ্ট দেবে। যদি পারতাম, আমি সারাজীবন এটাই করে যেতাম। কারণ আর্জেন্টিনার জন্য খেলা বিশ্বে সব থেকে সুন্দর জিনিস।”
অবসরের সিদ্ধান্তকে অনিবার্য হিসেবে চিহ্নিত করলেও বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘কনস্পিরেসি থিওরি’ মোকাবিলা করা চাপ সৃষ্টি করেছে বলেও জানান তিনি। মেসি বলেন, “ফের বিশ্বকাপ জেতার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলাম আমরা। আমাদের সম্পর্কে নানারকমের কথা বলা হয়েছে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে খেলাটা আমাদের নিংড়ে নিয়েছিল। আমরা চাপে ছিলাম। সবটুকু উজাড় করে খেলেছি।”
অবসরের আগে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ, কোপা অ্যামেরিকা, এমনকি ফাইনালিসিমাও এনে দিয়েছেন মেসি এবং তার দল। এদিন তার সতীর্থদের ধন্যবাদ জানান তিনি। মেসি বলেন, “এটা শুধু ২০২২-এর বিশ্বকাপ বা গত বিশ্বকাপের ব্যাপার না। মনে রাখবেন, প্রতিটি আর্জেন্টিনা খেলোয়াড় নিজের সবনটুকু উজাড় করে দেশের জন্য খেলে। তাদের সঙ্গে খেলতে পেরে আমি গর্বিত।” ২০২৬-এর বিশ্বকাপের পর সমাজ মাধ্যমে দীর্ঘ একটা চিঠি লিখে অবসরের কথা ঘোষণা করেন মেসি




