আপনার স্বাস্থ্য : কিডনির সমস্যা ফুটে ওঠে পায়ে! এই ৫ লক্ষণ সম্পর্কে এখনই ‘সজাগ’ হন

কিডনির রোগ একটি ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সমস্যা; তবে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ না করা পর্যন্ত খুব কম মানুষই তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হন। এর কারণ হল রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো সবসময় স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে না। তাই শারীরিক কিছু লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে—যেমন পায়ে জল জমা বা শরীরের স্নায়বিক কার্যক্রমে পরিবর্তন—আরও বিস্তারিত পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।

অনেক কিডনি রোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব, অথবা রোগের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব—যদি চিকিৎসকরা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটি শনাক্ত করতে পারেন। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনের কিছু সাধারণ অভ্যাসও এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে; যেমন—চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ সেবন না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ইত্যাদি।
অনেক কিডনি রোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব, অথবা রোগের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব—যদি চিকিৎসকরা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটি শনাক্ত করতে পারেন। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনের কিছু সাধারণ অভ্যাসও এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে; যেমন—চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ সেবন না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ইত্যাদি।

কেন এমনটি ঘটে:• সুস্থ কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও জল বের করে দেয়। কিডনি যখন এই কাজটি করতে ব্যর্থ হয়, তখন শরীরের অভ্যন্তরে তরল বা জল জমা হতে থাকে।
কেন এমনটি ঘটে: • সুস্থ কিডনি প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ ও জল বের করে দেয়। কিডনি যখন এই কাজটি করতে ব্যর্থ হয়, তখন শরীরের অভ্যন্তরে তরল বা জল জমা হতে থাকে।

• ক্লিনিক্যাল বা চিকিৎসাগত তথ্য:’ইডিমা’ (শরীরে জল জমা বা ফোলাভাব) হলো কিডনি রোগের একটি সাধারণ জটিলতা—বিশেষ করে ‘নেফ্রোটিক সিনড্রোম’ এবং কিডনি রোগের শেষ পর্যায়ের (End-stage CKD) ক্ষেত্রে। একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিডনি রোগের (CKD) রোগীদের মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই শরীরে জল জমার সমস্যা ছিল; এর পাশাপাশি তাদের শ্বাসকষ্ট ও বমি বমি ভাবের মতো অন্যান্য লক্ষণও দেখা গিয়েছিল। সাধারণত কিডনি রোগের তৃতীয় পর্যায় (Stage ৩) বা তার পরবর্তী পর্যায়গুলোতে শরীরে জল জমার সমস্যাটি আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

যে লক্ষণগুলোর দিকে নজর রাখতে হবে:

• সন্ধ্যার দিকে পায়ের গোড়ালি ফুলে যাওয়া বা ফোলা ফোলা মনে হওয়া।

• পায়ে মোজা পরার ফলে মোজার দাগ বসে যাওয়া।

• শরীরের কোনও স্থানে চাপ দিলে যদি সেখানে গর্তের মতো দাগ বা খাঁজ তৈরি হয় (যা ‘পিটিং ইডিমা’ নামে পরিচিত)।

• পায়ে যদি দীর্ঘস্থায়ী ফোলাভাব বা জল জমার সমস্যা থাকে, তবে তা কখনও উপেক্ষা করা উচিত নয়; কারণ এটি কিডনি রোগ, হৃদরোগ কিংবা যকৃতের (লিভার) রোগের ইঙ্গিত হতে পারে।
• ক্লিনিক্যাল বা চিকিৎসাগত তথ্য: ‘ইডিমা’ (শরীরে জল জমা বা ফোলাভাব) হলো কিডনি রোগের একটি সাধারণ জটিলতা—বিশেষ করে ‘নেফ্রোটিক সিনড্রোম’ এবং কিডনি রোগের শেষ পর্যায়ের (End-stage CKD) ক্ষেত্রে। একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিডনি রোগের (CKD) রোগীদের মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই শরীরে জল জমার সমস্যা ছিল; এর পাশাপাশি তাদের শ্বাসকষ্ট ও বমি বমি ভাবের মতো অন্যান্য লক্ষণও দেখা গিয়েছিল। সাধারণত কিডনি রোগের তৃতীয় পর্যায় (Stage ৩) বা তার পরবর্তী পর্যায়গুলোতে শরীরে জল জমার সমস্যাটি আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। যে লক্ষণগুলোর দিকে নজর রাখতে হবে: • সন্ধ্যার দিকে পায়ের গোড়ালি ফুলে যাওয়া বা ফোলা ফোলা মনে হওয়া। • পায়ে মোজা পরার ফলে মোজার দাগ বসে যাওয়া। • শরীরের কোনও স্থানে চাপ দিলে যদি সেখানে গর্তের মতো দাগ বা খাঁজ তৈরি হয় (যা ‘পিটিং ইডিমা’ নামে পরিচিত)। • পায়ে যদি দীর্ঘস্থায়ী ফোলাভাব বা জল জমার সমস্যা থাকে, তবে তা কখনও উপেক্ষা করা উচিত নয়; কারণ এটি কিডনি রোগ, হৃদরোগ কিংবা যকৃতের (লিভার) রোগের ইঙ্গিত হতে পারে।

• শরীরে তরল বা জল জমে যাওয়ার কারণে পা ভারী বা টানটান মনে হওয়া:অনেকেই পায়ের মধ্যে এক ধরনের ভারী ভাব অনুভব করেন; আবার কারও কারও পা টানটান বা আড়ষ্ট মনে হয়, কিংবা পায়ে ব্যথা অনুভূত হয়—বিশেষ করে দিনের শেষে বা সন্ধ্যার দিকে। এটি প্রকৃতপক্ষে কিডনির দুর্বল পরিস্রাবণ ক্ষমতার কারণে সৃষ্ট সামগ্রিক শারীরিক তরল ভারসাম্যহীনতার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। শরীরের নীচের অংশে (পায়ে) ক্রমাগত ভারী ভাব বা ফোলাভাব মাঝে মাঝে কিডনি বা রক্ত সঞ্চালনজনিত কোনও সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। একারণেই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বা নিজেকে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
• শরীরে তরল বা জল জমে যাওয়ার কারণে পা ভারী বা টানটান মনে হওয়া: অনেকেই পায়ের মধ্যে এক ধরনের ভারী ভাব অনুভব করেন; আবার কারও কারও পা টানটান বা আড়ষ্ট মনে হয়, কিংবা পায়ে ব্যথা অনুভূত হয়—বিশেষ করে দিনের শেষে বা সন্ধ্যার দিকে। এটি প্রকৃতপক্ষে কিডনির দুর্বল পরিস্রাবণ ক্ষমতার কারণে সৃষ্ট সামগ্রিক শারীরিক তরল ভারসাম্যহীনতার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। শরীরের নীচের অংশে (পায়ে) ক্রমাগত ভারী ভাব বা ফোলাভাব মাঝে মাঝে কিডনি বা রক্ত সঞ্চালনজনিত কোনও সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। একারণেই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বা নিজেকে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পেশির দুর্বলতা এবং পায়ের শক্তি হ্রাসকিডনি রোগ পেশির শক্তি এবং শারীরিক কার্যক্ষমতাকেও প্রভাবিত করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে (CKD) আক্রান্ত রোগীদের ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, যে সব রোগীর পায়ে শোথ বা ফোলাভাব রয়েছে, তাদের হাঁটুর পেশির শক্তি (knee extensor muscle strength) হ্রাস পেয়েছে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটি কিডনি রোগ এবং শরীরের নীচের অংশের শারীরিক অবনতির মধ্যে একটি প্রত্যক্ষ সংযোগের ইঙ্গিত দেয়।
পেশির দুর্বলতা এবং পায়ের শক্তি হ্রাস কিডনি রোগ পেশির শক্তি এবং
শারীরিক কার্যক্ষমতাকেও প্রভাবিত করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে (CKD) আক্রান্ত রোগীদের ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, যে সব রোগীর পায়ে শোথ বা ফোলাভাব রয়েছে, তাদের হাঁটুর পেশির শক্তি (knee extensor muscle strength) হ্রাস পেয়েছে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটি কিডনি রোগ এবং শরীরের নীচের অংশের শারীরিক অবনতির মধ্যে একটি প্রত্যক্ষ সংযোগের ইঙ্গিত দেয়। (Representative Image: AI)
ADVERTISEMENT

এটি কেন ঘটে: • ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা • দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ (Chronic inflammation) • প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া • ক্লান্তির কারণে শারীরিক নড়াচড়া বা কার্যকলাপ কমে যাওয়া। পায়ে অসাড়তা, ঝিনঝিন ভাব বা জ্বালাপোড়া যখন কিডনি শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে ব্যর্থ হয়, তখন এই বিষাক্ত পদার্থগুলো রক্তে জমা হতে থাকে, যার ফলে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ইউরেমিয়া (রক্তে বর্জ্য জমা হওয়া) পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলার মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিসাধন করে। সবচেয়ে সাধারণ যে স্নায়বিক সমস্যাটি দেখা যায়, তা ‘পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’ হিসেবে পরিচিত। ডায়ালাইসিস গ্রহণকারী দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের (CKD) রোগীদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই এই সমস্যাটি পরিলক্ষিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই লক্ষণগুলোর সূত্রপাত ঘটে মূলত পায়ে। এই অবস্থার প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে পায়ের পাতা বা পায়ের নীচের অংশে অসাড়তা বা সংবেদনশীলতা হ্রাস; ঝিনঝিন ভাব বা ‘পায়ে সুঁই ফোটানোর মতো অনুভূতি’; এবং জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা ও দুর্বলতা। লক্ষণগুলো প্রথমে পায়ের পাতা এবং পায়ের নীচের অংশে দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে শরীরের ওপরের অংশের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। (Representative Image: AI)
এটি কেন ঘটে: • ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা • দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ (Chronic inflammation) • প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া • ক্লান্তির কারণে শারীরিক নড়াচড়া বা কার্যকলাপ কমে যাওয়া। পায়ে অসাড়তা, ঝিনঝিন ভাব বা জ্বালাপোড়া যখন কিডনি শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে ব্যর্থ হয়, তখন এই বিষাক্ত পদার্থগুলো রক্তে জমা হতে থাকে, যার ফলে কিডনি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ইউরেমিয়া (রক্তে বর্জ্য জমা হওয়া) পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলার মাধ্যমে শরীরের ক্ষতিসাধন করে। সবচেয়ে সাধারণ যে স্নায়বিক সমস্যাটি দেখা যায়, তা ‘পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’ হিসেবে পরিচিত। ডায়ালাইসিস গ্রহণকারী দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের (CKD) রোগীদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই এই সমস্যাটি পরিলক্ষিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই লক্ষণগুলোর সূত্রপাত ঘটে মূলত পায়ে। এই অবস্থার প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে পায়ের পাতা বা পায়ের নীচের অংশে অসাড়তা বা সংবেদনশীলতা হ্রাস; ঝিনঝিন ভাব বা ‘পায়ে সুঁই ফোটানোর মতো অনুভূতি’; এবং জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা ও দুর্বলতা। লক্ষণগুলো প্রথমে পায়ের পাতা এবং পায়ের নীচের অংশে দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে শরীরের ওপরের অংশের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (Restless Legs Syndrome)’রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম’ (RLS) হলো আরেকটি শারীরিক অবস্থা, যার সাথে কিডনি রোগের একটি জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

এর অনুভূতি কেমন হয়:

• পা নাড়ানোর জন্য একটি অনিয়ন্ত্রিত বা তীব্র তাগিদ অনুভব করা

• বিশ্রাম নেওয়ার সময় পায়ে এক ধরনের অস্বস্তিকর অনুভূতি হওয়া

• রাতের বেলায় লক্ষণগুলোর তীব্রতা বাড়ে যাওয়া
রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (Restless Legs Syndrome) ‘রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম’ (RLS) হলো আরেকটি শারীরিক অবস্থা, যার সাথে কিডনি রোগের একটি জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। এর অনুভূতি কেমন হয়: • পা নাড়ানোর জন্য একটি অনিয়ন্ত্রিত বা তীব্র তাগিদ অনুভব করা • বিশ্রাম নেওয়ার সময় পায়ে এক ধরনের অস্বস্তিকর অনুভূতি হওয়া • রাতের বেলায় লক্ষণগুলোর তীব্রতা বাড়ে যাওয়া ।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ‘রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম’ (RLS)-এর প্রকোপ ২ থেকে ৩ গুণ বেশি। ডায়ালাইসিস গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশই RLS-এর লক্ষণগুলোতে ভোগেন; যা তাদের ঘুম এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করে। ধারণা করা হয় যে, কিডনি বিকল হওয়ার ফলে শরীরে আয়রনের ভারসাম্যহীনতা, স্নায়ুর কার্যক্রমে ব্যাঘাত এবং বিপাকীয় পরিবর্তনের কারণেই মূলত এই সমস্যাটি সৃষ্টি হয়। কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবেপায়ের উপসর্গগুলোর পাশাপাশি যদি নীচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকরা শারীরিক পরীক্ষার (evaluation) পরামর্শ দিয়ে থাকেন:

• পা বা গোড়ালিতে দীর্ঘস্থায়ী ফোলাভাব

• প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া

• ক্লান্তি বা দুর্বলতা

• শ্বাসকষ্ট

• প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন

সিরাম ক্রিয়েটিনিন, এস্টিমেটেড গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট (eGFR) এবং ইউরিন অ্যালবুমিন পরীক্ষার মতো সাধারণ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ‘রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম’ (RLS)-এর প্রকোপ ২ থেকে ৩ গুণ বেশি। ডায়ালাইসিস গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশই RLS-এর লক্ষণগুলোতে ভোগেন; যা তাদের ঘুম এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করে। ধারণা করা হয় যে, কিডনি বিকল হওয়ার ফলে শরীরে আয়রনের ভারসাম্যহীনতা, স্নায়ুর কার্যক্রমে ব্যাঘাত এবং বিপাকীয় পরিবর্তনের কারণেই মূলত এই সমস্যাটি সৃষ্টি হয়। কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে পায়ের উপসর্গগুলোর পাশাপাশি যদি নীচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকরা শারীরিক পরীক্ষার (evaluation) পরামর্শ দিয়ে থাকেন: • পা বা গোড়ালিতে দীর্ঘস্থায়ী ফোলাভাব • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া • ক্লান্তি বা দুর্বলতা • শ্বাসকষ্ট • প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন সিরাম ক্রিয়েটিনিন, এস্টিমেটেড গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন রেট (eGFR) এবং ইউরিন অ্যালবুমিন পরীক্ষার মতো সাধারণ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা সম্ভব।

পূর্বের খবরসংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন
পরবর্তি খবর৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন যারা
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!