বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক অংশীদারত্ব জোরদারে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার বৈঠকে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বাড়ানো এবং জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যে অংশীদারত্ব এবং যে সম্পর্ক রয়েছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ আগামী দিনের যেসব প্রকল্প নিতে যাচ্ছে, সেই প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের অংশীদারত্ব কাঠামোর মধ্যে আমরা কী কী করতে পারি, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনার মধ্যে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী যেসব কর্মসূচি নিয়েছেন, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ইত্যাদি যেসব সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে এবং এগুলোতে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপের যেসব প্রোগ্রাম আছে, সেখানে আমরা যে প্রোগ্রামগুলো রোলআউট করেছি, ৫০ শতাংশ গ্র্যান্ট, ৫০ শতাংশ কনসেশনাল লোনে আগামী দিনে এই প্রোগ্রামটা কীভাবে বিশ্বব্যাংকের সাথে মিলে বড় আকারে করতে পারি তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ও তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোর মধ্যে তেল-গ্যাস সংকট উত্তরণের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখানে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা কী থাকবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে বিশ্বব্যাংক এগিয়ে আসতে রাজি আছে।’

আমির খসরু বলেন, ‘আমরা যেসব প্রকল্প গ্রহণ করেছি সেগুলো ঠিক রাখতে হবে। এটা যাতে সাপ্লাই চেইনের কারণে ব্যাহত না হয় সেখানে বিশ্বব্যাংক কাজ করবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি জানাতে চাই সেখানে আমরা একসাথে কাজ করতে সম্মত হয়েছি, সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।’

টেকসই প্রকল্পগুলোকে বিশ্বব্যাংক কীভাবে দেখছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘খুবই মনোযোগ সহকারে দেখছে বিশ্বব্যাংক। বিশেষ করে ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভলপমেন্টের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বিষয়ক যে প্রকল্পগুলো রোলআউট করা হয়েছে এটাকে আরও বড় আকারে নেওয়ার ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি।’

সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

পূর্বের খবরগাজা নিয়ে ট্রাম্পের কূটনীতিকে ‘লজ্জাজনক প্রদর্শনী’ বললেন মাখোঁ
পরবর্তি খবরতুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয়
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!