ফেল করা শিক্ষার্থীদের বিশেষ বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর 

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের ভেঙে না পড়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরীক্ষা কোনো শিক্ষার্থীর জীবনের চূড়ান্ত পরিমাপক নয় উল্লেখ করে তিনি অকৃতকার্যদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী লেখেন, ফলাফল আশানুরূপ না হওয়া অত্যন্ত বেদনার ও হতাশার। তবে অকৃতকার্য হওয়া মানেই জীবনের গল্প শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আজকের এই ফল কারও মূল পরিচয় হতে পারে না। এটি পরীক্ষার নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টার একটা হিসাব মাত্র। কোনো মানুষের পরিশ্রম ও স্বপ্নের নির্দিষ্ট নম্বর হয় না।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অকৃতকার্য হওয়ার পর সামাজিক নানা চাপ ও সহপাঠীদের উপেক্ষা সামলানো কঠিন। তবে এই স্থবিরতা সাময়িক। ভবিষ্যতে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হলে আজকের এই কষ্টের দিনগুলোর কথা মনে করে নিজেরাই হয়তো হাসবে। তরুণদের এই হতাশা কাটিয়ে উঠে দেশ গঠনের কাজে মনোযোগী হওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থী এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি ভয় পায় নিজের পরিবারের সদস্যদের মুখোমুখি হতে। এই কঠিন সময়ে সন্তানকে বকাঝকা বা ভর্ৎসনা না করে স্নেহের ছায়ায় আগলে রাখা উচিত। নিজ ঘরকে কোনো বিচারালয় না বানিয়ে সন্তানের পরম আশ্রয়ে পরিণত করার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানান তিনি।

শিক্ষকদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া শিক্ষকদের দায়িত্ব। কোনো শিক্ষার্থী কেন পিছিয়ে পড়ল, তার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এই ব্যর্থতার দায় কেবল কোনো এক শিশুর ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে না, এর সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থারও দায় থাকে।

শিক্ষার্থীদের সব ধরনের একাডেমিক সহায়তায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় পাশে থাকবে বলে বার্তায় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

পূর্বের খবরএকাদশে ১৫ লাখ আসন ফাঁকা থাকার শঙ্কা
পরবর্তি খবর‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ, এ নিয়ে জল্পনার কিছু নেই
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!