চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল ইসলাম

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ধাপভিত্তিক ইউপি নির্বাচনের তফসিল দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, এ মাসের মধ্যেই নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানানো হবে।

আজ রোববার দুপুরে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল কবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ এই মাসের মধ্যেই অনেক কিছু দেখবেন এবং অনেক কিছুই আমরা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারব। কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ খুব দ্রুতগতিতে চলছে, সেগুলো শেয়ার করব।’

আচরণবিধির গেজেট দু-এক দিনের মধ্যে

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আরও কিছু প্রস্তুতি রয়েছে, আচরণবিধি অলরেডি আমরা চূড়ান্ত করেছি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা ইনট্রোডিউস করেছিলাম, অনেকগুলোই স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আমরা এনেছি এবং দু-এক দিনের ভেতরে গেজেট নোটিফিকেশন হবে।’

পরীক্ষার সময় বিবেচনায় ভোট

নির্বাচন কমিশনার জানান, নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস দুটি ছাত্রছাত্রীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, শিক্ষকদের জন্য খুব ব্যস্ততার সময়। বিশেষ করে, বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষা, টেস্ট পরীক্ষা ও প্রি-টেস্ট পরীক্ষা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এই পরীক্ষাগুলো বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রগুলো হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এবং ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তা হিসেবে প্রিসাইডিং অফিসার, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হবেন শিক্ষকেরা। এই দুটি যাতে একই সময়ে না হয়, বিষয়টি আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হচ্ছে।’ ভোটের দিণক্ষণ নির্ধারণে কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণার কথা জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সেদিক থেকে আমরা আশা রাখি, এই পরীক্ষার সময়গুলো বাদ দিয়ে আগে বা পরে আমরা নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করব। যতটুক সম্ভব সেটাকে আমরা ওইভাবে শিডিউলে নিয়ে আসব। তবে সুনির্দিষ্টভাবে আমি দিনক্ষণ-তারিখ এই মুহূর্তে বলতে পারব না, একটু সময় দিতে হবে। আমরা কাজ করছি। অচিরেই জানানো হবে।’

ইউপি নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে বলে উল্লেখ করেন এ নির্বাচন কমিশনার।

প্রযুক্তিতে বাড়বে নিরাপত্তা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে কমিশনার বলেন, ‘আমরা চিন্তা করছি যে, সমস্ত ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আসবে। বডি ওর্ন ক্যামেরা আরও বৃদ্ধি করব। ড্রোন ব্যবহার করব, যাতে ত্বরিত কোথায় কী হচ্ছে না হচ্ছে, এই তথ্যগুলো আমরা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মুভমেন্টকে ত্বরান্বিত করতে পারি।’ এ ছাড়া ভুল তথ্য বা মিসইনফরমেশন মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি জানান।

পূর্বের খবরএকাধিক ফ্রন্ট থেকে ইসরায়েলে বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
পরবর্তি খবরইইউর ৬১ বাণিজ্য বাধার ৪৮টিরই সমাধান করা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!