বিশেষ প্রতিবেদন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গে পড়ে রয়েছেন। লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন। অমিত শাহ স্ট্রাটেজির কাজে ব্যস্থ থাকলেও মোদি শুক্রবার সকাল সকাল নৌকাবিহারে বেরিয়ে ছিলেন। হাতে ধরা ছিল ক্যামেরা। তার এদিনের কর্মসূচিতে ছিল না এই নৌকা বিহারের কথা। তাই অনেকে জানতেই পারেননি মোদি কলকাতার গঙ্গায় (হুগলি) সকাল সকাল খানিক সময় কাটাবেন। গঙ্গাবক্ষে এই নৌকাবিহারের কথা জানা যায় মোদির সমাজমাধ্যমের পোস্ট থেকে।
সেই পোস্টে একাধিক ছবি-ভিডিও দিয়েছেন তিনি। জানান, এই সফরে নৌকার সওয়ারি এবং প্রাতর্ভ্রমণকারীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে। যে ছবিগুলো পোস্ট করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, নৌকায় বসে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পেছনে দেখা যাচ্ছে হাওড়া এবং বিদ্যাসাগর সেতু। এও দেখা যাচ্ছে যে, চোখে রোদচশমা পরে ক্যামেরা নিয়ে ছবি তুলছেন প্রধানমন্ত্রী। গঙ্গার ধারে প্রাতর্ভ্রমণ সেরে নৌকায় ওঠেন মোদি। শেষে সকলকে সৌহার্দ্যের বার্তা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর পরিত্র জল একটি সমগ্র সভ্যতার শাশ্বত চেতনা বহন করে। এক্স হ্যান্ডল পোস্টে তিনি লেখেন, প্রত্যেক বাঙালির কাছে গঙ্গা নদী বরাবর বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে। বলা যায়, বাংলার আত্মার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এই নদী। তার পবিত্র জলধারায় সভ্যতার অন্তহীন কাহিনী লুকিয়ে রয়েছে।
তিনি লিখেছেন, কলকাতায় থাকাকালীন আমি কিছুটা সময় কাটালাম হুগলি নদীতে। মা গঙ্গাকে প্রণাম জানানোর সুযোগ পেলাম। একইসঙ্গে মাঝি এবং প্রাতভ্রমণকারীদের সঙ্গেও দেখা হল, শুভেচ্ছা বিনিময় হল। বিশেষ করে মাঝিদের কঠোর পরিশ্রম দেখে আমি মুগ্ধ। এই হুগলি নদী আমাকে বাংলা এবং বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। মোদি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, তিনি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন এবং মহান বাঙালি জনগণের সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এদিকে গঙ্গার বুকে ঘোরাতে পেরে উচ্ছ্বসিত ওই নৌকার মালিক মহম্মদ ইফতিকার আহমেদ। মোদি যে নৌকায় উঠেছিলেন তার মালিক জানতেনই না তার নৌকা কেন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। জানতে পারেন মোদির নৌকাবিহার শুরুর পাঁচ মিনিট আগে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন, সকলকে আন্তরিকভাবে মিলেমিশে থাকতে হবে।




