ভিনিউজ : মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক-রায় নিয়ে আবার সরব হলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ওই রায়কে ‘বিরক্তিকর’ বলে মনে করেন। তবে এ-ও জানান, সুপ্রিম কোর্ট জানে না, তারা কী ভাবে তাঁকে ‘আরও শক্তিশালী’ করে দিল! কী ভাবে তিনি ‘শক্তিশালী’ হলেন, তাঁর ব্যাখ্যা করেননি ট্রাম্প। পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের রায়কে হাতিয়ার করে, যে সব দেশ ‘খেলতে’ আসবে, তাদের উপর আরও শুল্ক চাপাব!’’ এ-ও জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শুল্ক চাপাতে, তার মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।
জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত আইনকে হাতিয়ার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক শুল্কনীতি প্রণয়ন করেছিলেন। সেই শুল্ক নীতি গড়ায় সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করে। রায়ে তারা বলেছে, ‘‘জাতীয় জরুরি অবস্থার দোহাই দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া একক সিদ্ধান্তে আমদানিকৃত পণ্যের উপর এই বিশাল শুল্ক আরোপ করে প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।’’
সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের সমালোচনা করে প্রায় তৎক্ষণাৎই প্রতিক্রিয়া দেন ট্রাম্প। রায়কে ‘হতাশাজনক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর সোমবার আবার সুপ্রিম-রায়ের সমালোচনা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি এ-ও জানান, তাঁর দেশের সুপ্রিম কোর্টকে তিনি ‘সম্পূর্ণ সম্মান’ করতে পারছেন না। সেই কারণে তাঁর পোস্টে সুপ্রিম কোর্টের উল্লেখ ‘ছোট হাতে’ লিখেছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এই রায়ের আগে তাঁর যা ক্ষমতা ছিল, এখন তা আরও কয়েকগুণ বাড়ল!
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে ‘লাইসেন্স ফি’-র উল্লেখ করেছেন। তিনি মনে করেন, আমেরিকায় বাণিজ্য করতে গেলে বিদেশি কোম্পানিগুলিকে ‘লাইসেন্স ফি’ দিতে হবে। ১৯৭১ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের দ্বারা এই ক্ষমতা পায় মার্কিন প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেই ‘ফি’ নেওয়া আর যাবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের মতে, রায়ে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। কিন্তু তিনি উত্তর জানেন।




