সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের সভা

জাতীয় সংসদ ভবনের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন ও নতুন প্রযুক্তি প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সভায় সংসদের সাউন্ড সিস্টেমকে উন্নত ও প্রযুক্তি নির্ভর করার উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন আধুনিক ব্যবস্থার ওপর বিস্তারিত উপস্থাপনা (প্রেজেন্টেশন) দেওয়া হয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সভায় সম্ভাব্য কারিগরি বিকল্প, প্রযুক্তির সক্ষমতা এবং এটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য, এর কার্যকারিতা এবং সংসদীয় অধিবেশন পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সামঞ্জস্য বজায় রাখার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা এসব বিষয়ে নিজ নিজ মতামত জানান এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এই সভায় সরকার ও বিরোধী দলের শীর্ষ প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা অংশ নেন।

এ ছাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনে শব্দযন্ত্রের বিভ্রাটের কারণে কার্যক্রম কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরদিনের বৈঠকেও হেডফোন ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।

শব্দযন্ত্রে এই বিভ্রাট ‘অন্তর্ঘাত’ কি না তা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে ‘সংসদ কমিটি’। সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস নেতৃত্বাধীন এ কমিটিকে আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

পরে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের ‘সাউন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম-এসআইএস’ পরিচালনা, মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে ‘অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের’ অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগে বলা হয়, জাহিদুর রহিম জোয়ারদার, তাঁর প্রতিষ্ঠান কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কিছু প্রকৌশলীর যোগসাজশে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে স্থাপিত এসআইএস পরিচালনা, মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে ‘বিপুল অঙ্কের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ’ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানির ক্ষেত্রে কাগজে-কলমে বেশি দামি দেখিয়ে (ওভার ইনভয়েস) বিদেশে ‘অর্থ পাচারেরও’ অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তাঁর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য খাতে মেডিকেল ইকুইপমেন্ট কেনাকাটার মাধ্যমেও শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পূর্বের খবরশাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলা: হাসিনা-বেনজীর-আজিজসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল
পরবর্তি খবরহজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু, ১৫ বছরের নিচে হজে মানা
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!