ভারতে সামনেই বিয়ের মৌসুম : মাত্র দেড়মাসে লেনদেন হবে সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি ,রাজস্ব আয় ৭৫ কোটি

ভিনিউজ ডেস্ক : পয়লা নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ৪৫ দিনের বিয়ের মরসুম। CAIT-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, এই সময় দেশে প্রায় ৪৬ লক্ষ বিয়ে হবে এবং লেনদেন ছাড়াতে পারে ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা। গত বছরের মতো বিয়ের সংখ্যা একই থাকলেও, বিয়ে-প্রতি খরচ বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে। সোনা-সহ মূল্যবান ধাতুর দাম বৃদ্ধি, ব্যয়ক্ষমতার উন্নতি এবং উৎসবের পর গ্রাহক আস্থা ফেরায় ব্যয় বেড়েছে। সমীক্ষা জানাচ্ছে, “ভোকাল ফর লোকাল” প্রবণতায় ৭০%-র বেশি বিয়ের সামগ্রী দেশীয়—যার ফলে স্থানীয় কারুশিল্প খাতে উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে।

খরচ সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি টাকা

বিগ ফ্যাট ইন্ডিয়ান ওয়েডিং! সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি টাকা! ভারতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ৪৫ দিনের বিয়ের মরসুমে এত টাকার লেনদেন হবে বলে জানাল একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা! প্রায় ৪৬ লক্ষ বিয়ে হতে চলেছে এই মরশুমে, যার মাধ্যমে ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকার অভাবনীয় লেনদেনের ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে বলে অনুমান করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সমীক্ষায়। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত CAIT রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (CRTDS)-এর ওই সমীক্ষা। এর মধ্যে শুধু দিল্লিতেই প্রায় ৪.৮ লক্ষ বিয়ে হবে এবং সেখান থেকে প্রায় ১.৮ লক্ষ কোটি টাকা লেনদেন হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বিয়ের খরচ নিয়ে সমীক্ষা
Confederation of All India Traders (CAIT)–এর গবেষণা শাখা জানিয়েছে, দেশের ৭৫টি শহরে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, বিয়ের সংখ্যা গত বছরের মতোই থাকলেও, বিয়ে-প্রতি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
E

CAIT-এর সেক্রেটারি জেনারেল ও চাঁদনি চক-এর সাংসদ প্রবীণ খান্ডেলওয়ালের মতে, খরচ বৃদ্ধির এই প্রবণতা উচ্চতর ব্যয়ক্ষমতা, সোনা-সহ মূল্যবান ধাতুর দাম বৃদ্ধি এবং উৎসবের পর খুচরো বাজারে গ্রাহক আস্থার জোরদার হওয়ার ইঙ্গিতও বটে।
উল্লেখ্য, তথ্য অনুযায়ী,

২০২৪ সালে প্রায় ৪৮ লক্ষ বিয়েতে খরচ হয়েছিল ৫.৯০ লক্ষ কোটি টাকা
২০২৩ সালে ৩৮ লক্ষ বিয়েতে ব্যয় হয়েছিল ৪.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা
আরও পড়ুন- কলকাতার প্রথম রেল স্টেশন কোনটি? এই নামটি জানলে এখন চমকে উঠবেন আপনি
কী বলা হল সমীক্ষায়

সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, দেশজ পণ্যের প্রতি ঝোঁক এই বিয়ের মরশুমে অনেকটাই বেড়েছে — ৭০ শতাংশের বেশি বিয়ের সামগ্রী এখন ভারতেই তৈরি হয়। এর মধ্যে আছে পোশাক, গয়না, সজ্জা, বাসনপত্র এবং খাদ্যসামগ্রী।

CAIT–এর উদ্যোগে বিয়ের বাজারে ‘ভোকাল ফর লোকাল’ প্রবণতা জোরদার হয়েছে। ফলে চিনা সজ্জা ও উপহার সামগ্রীর ব্যবহার কমে দেশীয় কারুশিল্প ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাত লাভবান হচ্ছে।
তাঁর দাবি, চলতি বিয়ের মরসুমে প্রায় ১ কোটি অস্থায়ী ও পার্ট–টাইম চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এতে সাজসজ্জা, ক্যাটারিং, ফুলচাষ, শিল্প–সংস্কৃতি, পরিবহণ এবং আতিথেয়তা শিল্পের কর্মীরা সরাসরি লাভবান হবেন। পাশাপাশি টেক্সটাইল, গয়না, হস্তশিল্প, প্যাকেজিং ও লজিস্টিক্স ক্ষেত্রে MSME-র কাজের পরিমাণও বাড়বে।

সরকারের কোষাগারে রাজস্ব
এই বিয়ের মরসুমে সরকারের কোষাগারে কর রাজস্ব হিসেবে প্রায় ৭৫,০০০ কোটি টাকা যোগ হতে পারে। খাতভিত্তিক ব্যয়ে গয়নার ভূমিকা সর্বাধিক—মোট অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রায় ১৫ শতাংশ। অন্যদিকে পোশাক ও শাড়ি মিলিয়ে ব্যয়ের প্রায় ১০ শতাংশের অংশীদার হবে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

Bengali News

News

নিবন্ধ শেষ
PROMOTED CONTENT

পূর্বের খবরবিবিসি প্রতিবেদন : হিন্দু ভোটব্যাংকে ‘নজর’ জামায়াতের?
পরবর্তি খবরযুক্তরাষ্ট্রে হাজারো ফ্লাইট বন্ধ করে দিচ্ছে বিমানবন্দরগুলো, কারণ শাটডাউন