ভিনিউজ ডেস্ক : জাতিসংঘের উন্নয়ন প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেছেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ৩০ মিলিয়ন, অর্থাৎ তিন কোটিরও বেশি মানুষ আবার দারিদ্র্যের কবলে পড়বে৷ জ্বালানি ও সার সরবরাহে বিঘ্নের কথা উল্লেখ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি আরো বলেন, এমন এক সময়ে এ ঘটনা (ইরান যুদ্ধ) ঘটছে, যখন উত্তর গোলার্ধের কৃষকরা শষ্য বীজ রোপণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাসগুলোর দিন গুনছেন৷
বিশ্বের বেশিরভাগ সার উৎপাদিত হয় মধ্যপ্রাচ্যে৷ বিশ্বের বাকি অংশে সার পাঠানো তাই হরমুজ প্রণালীর ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল৷ ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ৷ এ কারণে সারের দাম বেড়েছে, সারের সরবরাহও কমেছে৷
বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডি ক্রু বলেন, সারের এই ঘাটতির কারণে ইতোমধ্যে কৃষি উৎপাদনশীলতা কমে গেছে৷ চলতি বছরের শেষের দিকে ফসলের ফলনেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং এ ব্যাপারে তেমন কিছু করারও নেই৷’’ এ সময় জ্বালানির ঘাটতি এবং রেমিটেন্স কমে যাওয়ার শক্তার কথাও বলেন তিনি৷
জাতিসংঘের উন্নয়ন প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রু মনে করেন, ‘‘এমনকি যুদ্ধ যদি আগামীকাল থেমেও যায়, এর যে প্রভাবগুলো ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে, সেগুলো ৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে আবার দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেবে৷’’
চলতি মাসের শুরুর দিকে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কাছ থেকেও এসেছিল সতর্কবার্ত৷ তারা বলেছিল, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়বে এবং এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী আরো সংকটে পড়বে৷
– এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স




