বিবিসি প্রতিবেদন : হামলার জন্য কোন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল?

 

ক্রিস প্যাট্রিজ, বিবিসি নিউজ অস্ত্র বিশ্লেষক

ভিনিউজ :ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির সরঞ্জাম ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ডজনখানেক ভিডিও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

ব্যবহৃত অনেক অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ‘বাংকার বাস্টার’ নামে পরিচিত দুই হাজার পাউন্ড ওজনের জিবিইউ-৩১-জেডিএএম।

বেশিরভাগ সময় এগুলো স্যাটেলাইট নির্দেশনার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে নিক্ষেপ করা হয়, তবে বুধবার রাতে প্রমাণ পাওয়া গেছে কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী লক্ষ্যবস্তুতে বোমা নিক্ষেপের জন্য লেজার ডেজিগনেশন ব্যবহার করছে।

আজ সকালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) একটি বিমান ঘাঁটিতে ইরানি বিমানে হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে।

এই ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, লেজারটি লক্ষ্যবস্তুর ঠিক ওপরে আঘাত করছে। এই লেজারটি হামলাকারী বিমানের একটি পডে থাকে। পাইলটরা এটিকে লক্ষ্যবস্তুর দিকে নিক্ষেপ করেন।

এই গোলাবারুদগুলো সম্ভবত জিবিইউ – ২৪, জিবিইউ – ৫৪, হামলাকারী বিমান থেকে নিক্ষেপ করার পর অস্ত্রের ওপর থাকা কন্ট্রোল সারফেসে নড়াচড়া করে লেজার স্পটটি অনুসরণ করতে থাকে।

হাজার হাজার ফুট ওপর থেকে বোমা নিক্ষেপ করা হলেও এর নির্ভুলতা থাকে এক বা দুই মিটারের মধ্যে।

চলন্ত লক্ষ্যবস্তু অনুসরণ করতেও বেশ উপযোগী লেজার ডেজিগনেশন। তবে সবসময় তা সেরা পদ্ধতি নয়।

মেঘ বা অন্যান্য বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা লক্ষ্যভেদ করার কার্যকারিতা অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে, তাই এখানেই জিপিএস গাইডের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

এমন কিছু অস্ত্রও রয়েছে যেগুলোতে লেজার এবং জিপিএস দুই পদ্ধতিই বিদ্যমান। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী সবচেয়ে উপযুক্ত পদ্ধতিটি ব্যবহার করা যায়।

পূর্বের খবরআনন্দবাজার প্রতিবেদন : হরমুজ় প্রণালীর সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে আট দেশ! কেন সেখানে এত দাপট ইরানের?
পরবর্তি খবরমায়ের অডিও ভাইরাল হতেই বিস্ফোরক রশ্মিকা
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!