চলতি বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৯ শতাংশের নিচে নামলেও ফের বেড়েছে। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গেল ২০২৫—এর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এলেও নভেম্বর থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। তবে দেশে দ্রব্যমূল্যর উর্ধ্বগতির মাঝেও মার্চে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে এসেছিল।
বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এর আগে গেল বছরের ডিসেম্বর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ, নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, অক্টোবরে ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর গত বছরের এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
বিবিএসের তথ্যানুসারে, চলতি বছরের এপ্রিলে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে। ২০২৫ সালের এ সময়ে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে। ২০২৫ সালের এপ্রিল এ হার ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
বিবিএসের হালনাফগাদ তথ্য বলছে, শহর ও গ্রামে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এপ্রিলে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে শহরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, মার্চে যা ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। একইসঙ্গে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরির হার। মার্চে মজুরির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।




