Allergy : প্রায়ই অ্যালার্জিতে ভোগেন? ডায়েটে রাখুন এই খাবারগুলি

Health care | Allergy: জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কোন খাবারগুলো আমাদের অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে।

114
Allergy
Social Share

Allergy :খাবারের অ্যালার্জির সমস্যায় অনেকেই ঘন ঘন দোকান থেকে কিনে ওষুধ খেয়ে নেন। কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন এই ধরনের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। সেক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট জীবনধারার পরিবর্তন করলে অনেকটাই সুরাহা পাওয়া যায়। তাহলে জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কোন খাবারগুলো আমাদের অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে।

৮টি খাবার যা অ্যালার্জি কমাতে সাহায্য করেঃ-

হলুদ- হলুদ হল একটি সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যা অতিরিক্ত হিস্টামিন উৎপাদন করে এবং ইমিউন সিস্টেমের অতিরিক্ত সক্রিয়তার কারণে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আদা- আদা অন্ত্রের প্রদাহ কমায়। একইওসঙ্গে যে কোনো প্রদাহের তীব্রতা কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

ওমেগা ৩- ওমেগা ৩ শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং ইনফ্ল্যামেটরি প্রক্রিয়া কমাতে সাহায্য করে। মাছ, আখরোট, সিয়া সিড এবং পাম্পকিন সিডে ওমেগা ৩ রয়েছে।

কোয়ারসেটিন- কোয়ারসেটিন হল একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক এবং উদ্ভিদ-ভিত্তিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা শরীরেএ অতিরিক্ত হিস্টামিনকে বন্ধ করতে সাহায্য করে। আপেল এবং বেরিতে প্রচুর পরিমাণে কোয়ারসেটিন রয়েছে। আবার সাপ্লিমেন্ট হিসাবেও কোয়ারসেটিন খাওয়া যেতে পারে।

বি কমপ্লেক্স- বি কমপ্লেক্স শরীরের এক্সট্রা সেলুলার হিস্টামিন ভাঙতে সাহায্য করতে পারে। তাই অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগলে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের সাপ্লিমেন্ট খাওয়া যেতে পারে।

প্রোবায়োটিক- আমাদের অন্ত্রে এবং শরীরে খারাপ রোগ জীবাণুর সঙ্গে উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য একটি ইকোসিস্টেমে ৮৫% ভালো জীবাণু এবং ১৫% খারাপ জীবাণু থাকা অপরিহার্য। প্রোবায়োটিক অন্ত্রে ভালো জীবাণু বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। আমাদের জন্য উপকারী প্রোবায়োটিক স্ট্রেন হল ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম। দই, চালের জল বা কাঞ্জি, ফারমেন্টেড সবজি, কাফির, কম্বুচা এবং ফারমেন্টেড মিসো হল প্রোবায়োটিকের খুব ভালো উৎস।

ভিটামিন ডি- শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ভিটামিন ডি-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ভিটামিন ডি প্রাণীজ খাদ্য যেমন অরগ্যানিক মুরগির মাংস, মাছ, ডিম ইত্যাদিতে রয়েছে। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ব্যালেন্স রক্ষা করতে সাহায্য করে।

ম্যাগনেসিয়াম- ম্যাগনেসিয়াম হল এমন একটি খনিজ যা অন্ত্র ও মস্তিষ্কের স্নায়ু শান্ত করতে সাহায্য করে। বেশিরভাগ অ্যালার্জি বেশি সক্রিয় বা খারাপ ইমিউন সিস্টেমের কারণে হয়। তাই ম্যাগনেসিয়াম শরীরের স্নায়ুকে শিথিল ও শান্ত করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে গাঢ় সবুজ শাক, কলা এবং দানাশস্য ম্যাগনেসিয়ামের কিছু ভালো উৎস।

তবে Allergy অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷ একই সঙ্গে কোনও পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী লাইফস্টাইল পরিবর্তন করাও জরুরি।