স্টাফ রিপোর্টার:
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু হেনা রাসেল আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।
পরিবার ও সহকর্মী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাজধানীর আসাদগেট সংলগ্ন একটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে জ্বালানি নিতে গেলে তার বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টা ২০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আবু হেনা রাসেল এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য সহকর্মী, স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাজশাহী সদরের বাসিন্দা তিনি দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি দৈনিক খবর সংযোগ-এর বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে দৈনিক ভোরের কাগজ, সমকাল এবং দৈনিক কালের কণ্ঠসহ বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সাংবাদিকতায় নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সাহসী সংবাদ পরিবেশনের জন্য তিনি সহকর্মীদের কাছে বিশেষভাবে সম্মানিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এদিকে, তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশা। এক শোকবার্তায় তারা বলেন, আবু হেনা রাসেলের মৃত্যু সাংবাদিক সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তারা মহান আল্লাহর কাছে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দেওয়ার জন্য দোয়া করেন।
মরহুমের জানাজা বুধবার বিকেল সোয়া ৪টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন হবে।




