আজো কানে ভাসছে সহকর্মীদের সেই আত্মচিৎকার

 

মনিরুজ্জামান মনির

ভাদ্র মাসের পড়ন্ত বিকেল। রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশের নিচে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশ। তখন বিকেল ৫টা বেজে ২২ মিনিট। হঠাৎ বিকট শব্দে গ্রেনেড বিস্ফোরণ। এরপর খই ফোটার মতো ফুটতে থাকে একের পর এক গ্রেনেড। জনাকীর্ণ সমাবেশে মঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত ট্রাককে লক্ষ্য করেই ছোড়া হচ্ছিল গ্রেনেডগুলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিস্ফোরিত হয় ১৩টি গ্রেনেড। সেদিনের পৈশাচিক হামলার প্রধান টার্গেট ছিলেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ও অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনের পুরোধা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

ভাগ্যক্রমে ঘাতকের গুলিবর্ষণ ও গ্রেনেড হামলা থেকে তিনি বেঁচে গেলেও, ভয়াবহ ওই ঘাতক বুলেটে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ চিরতরে হারিয়ে যায় ২৪টি তাজা প্রাণ। আহত হন ৪ শতাধিক নেতাকর্মী। লাশের মিছিলে স্বজনদের আহাজারি আর আহতদের চিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে রাজধানীর পরিবেশ। আজো কানে ভাসছে সহকর্মীদের সেই আত্মচিৎকার । সেদিন ওরা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথকে চিরদিনের জন্য বন্ধ করে আবারো পাকিস্তান রাষ্ট্র কায়েম করতে চেয়েছিল। ভাগ্যক্রমে তা সফল হয়নি।

মহান আল্লাহ্‌র দরবারে ভয়াল ২১ আগস্ট নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

ফেইস বুক থেকে