ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়া আমার লক্ষ্য’

ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়া আমার লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। আমি সব কিছু উৎসর্গ করে এদেশের জনগণের ভাগ্য গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এ দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারলে আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে।’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ সোমবার (১২ আগস্ট) সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সরকরি বাসভবন গণভবনে তিনি এ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ দেশের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সেটা অব্যাহত থাক। মানুষ উন্নত, সুন্দর জীবন পাক, কেউ যেন খাটো করে দেখতে না পারে, এদেশের মানুষ সর্বত্র মর্যাদা পায় সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। দেশে মানুষ যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে সেই আস্থার মর্যাদা আমি রাখবো। সে দায়িত্ব দেশের মানুষ তুলে দিয়েছে সেই দায়িত্ব যাতে পালন করতে পারি সেই দোয়া চাই।’

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী ও প্রবাসী বাঙালি যারা আছেন সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমগ্র মুসলিম উম্মাকেও ঈদের শুভেচ্ছা জানান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে সব শহীদের আত্মত্যাগের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মহান আত্মত্যাগের মহিমা নিয়েই ঈদ এসেছে। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান যিনি আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। সেই মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এখন আগস্ট মাস চলছে, ১২ তারিখ। এই দিনও তিনি বেঁচে ছিলেন। আমরা বিদেশে ছিলাম। ১৩ আগস্ট সবশেষ আমাদের সঙ্গে কথা হয়। ১৫ আগস্ট আমার বাবা, মা, ভাইসহ সবাইকে হত্যা করা হয়। আগস্ট মাস আমাদের জন্য কষ্ট, বেদনা নিয়ে আসে।

নিজের চোখের অপারেশন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বয়স হয়েছে, বুড়ো হয়ে গেছি। কয়েকদিন আগে আমার চোখের সানি অপারেশন করাতে হয়েছে। এখনও পাঁচবার করে চোখে ওষুধ নিতে হচ্ছে।

এ সময় মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন প্রমুখ।