ঈদুল আজহা: তিন দিন কঠোর নিরাপত্তায় রাজধানী

vnewsbd.com

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে তিন দিন রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গরুর হাট, ঈদের জামাত ও ঈদের পর ফাঁকা ঢাকায় জনগণের জানমাল রক্ষায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ছক তৈরি করেছে র‌্যাব-পুলিশ। এর মধ্যে জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাতকে ঘিরে থাকছে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

গতকাল শনিবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে ঈদের জামাতে সদৃঢ়, সুসমন্বিত ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঈদের জামাতে মুসল্লিরা জায়নামাজ ও বৃষ্টি হলে ছাতা সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন। তবে এর বাইরে কোনো কিছু সঙ্গে নিয়ে আসা যাবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মুসল্লিদের জায়নামাজ ও ছাতা তল্লাশির পর সেগুলো নিয়ে ঈদগাহে প্রবেশের অনুমতি দেবে।

কমিশনার আরো বলেন, জাতীয় ঈদগাহ ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পোশাকধারী পুলিশ, সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ, সোয়াত, সিটিটিসি, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, আর্চওয়ে ও সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে।

জাতীয় ঈদগাহে প্রত্যেক মুসল্লিকে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। মুসল্লিদের তিন ধাপে আর্চওয়ে ও তল্লাশির মধ্য দিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করানো হবে।

তিনি বলেন, ঈদগাহের চারদিকে ও ভেতরে সতর্ক অবস্থায় থাকবে ইউনিফর্মে ও সাদা পোশাকে পুলিশ। সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে আশপাশ এলাকায়। নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি থাকবে ফায়ার টেন্ডার, মেডিক্যাল টিম, কমান্ড ভেহিক্যাল ও ওয়াচ টাওয়ার।

আরো পড়ুন: ঈদযাত্রা‌য় ভোগা‌ন্তির জন্য ওবায়দুল কাদেরের দুঃখ প্রকাশ

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ মাঠে প্রবেশে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে আবদুল গণি রোড, মৎস্য ভবন ও দোয়েল চত্বরসহ কয়েকটি এলাকায় ব্যারিকেড থাকবে। এসব সড়ক দিয়ে ঈদগাহের দিকে হেঁটে যেতে হবে। ব্যারিকেডের ভেতর ভিভিআইপি ছাড়া কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারবে না।

যে সকল মুসল্লি গাড়ি নিয়ে আসবেন তাদের ট্রাফিক কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করতে হবে। মৎস্য ভবন হতে শাহবাগ, আইইবির ভেতরে পার্কিং, কার্পেট গলি, দোয়েল চত্বর, ফজলুল হক হল এবং প্রেসক্লাব লিংক রোড ব্যারিকেডের বাইরে গাড়ি পার্কিং করা যাবে।