ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের

নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করতে সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এডিস মশার উৎপত্তি ও প্রজননস্থল ধ্বংসে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি। তাই ঘরের ভেতরের পাশাপাশি বাইরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলকে সচেষ্ট হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ ভবন এলাকায় পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব চত্ত্বরে আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মশারি বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের সভাপতি প্রধান হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু, পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বি তাজুল ইসলাম, বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্যবৃন্দকে এ ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে। তারা তাদের নিজস্ব নির্বাচনী এলাকাগুলোতেও ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ইতোমধ্যে তারা অনেকেই তাদের নিজস্ব এলাকায় আছেন এবং তারা যাতে এই কার্যক্রম অব্যহত রাখেন সে বিষয়টির প্রতি তাদের সাথে কথা বলেছি। নিজের নির্বাচনী এলাকার এই কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ড. শিরীন শারমিন বলেন, এডিস মশা যেহেতু পরিস্কার, স্বচ্ছ পানিতে বংশ বিস্তার করে। তাই ফুলের টব, ফ্রিজের নিচের পানি, এসির পানিসহ আশপাশের এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এ ব্যাপারগুলোতে সকলকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংসদের মেডিক্যাল সেন্টারে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রয়োজনে এখান থেকেও বিনামূল্যে ডেঙ্গুর রক্ত পরীক্ষা করা যাবে। ঈদের ছুটিতেও সার্বক্ষণিক এই মেডিক্যাল সেন্টার খোলা থাকবে।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংসদ সচিবালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে এক হাজার মশারি বিতরণ করা হয়। তবে এই অনুষ্ঠানের জন্য সুন্দর মঞ্চ তৈরি করা হলেও সামনের দর্শকদের জন্য কোনো ছাউনি না থাকায় প্রখর রোদ ও প্রচণ্ড গরমে উপস্থিত দর্শকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।