মশা নিধনে আজ আসছে বিদেশি ওষুধের নমুনা

মশা নিধনে আজই বিদেশি ওষুধের নমুনা বিশেষ বিমানে দেশে আসছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আইনজীবীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চকে এ তথ্য জানান তাঁরা।

আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, ওই নমুনা ওষুধের কার্যকারিতার ওপর প্রাথমিক পরীক্ষা চালানো হবে মহাখালীর একটি ল্যাবরেটরিতে। তবে হাইকোর্ট বলেছেন, যখন মশার প্রকোপ শুরু হয়েছে, তখন কেন  ব্যবস্থা নেননি? মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশন সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

শুনানিতে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। আর উত্তর সিটির পক্ষে আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সায়রা ফাইরোজ।

এর আগে গত মঙ্গলবার এডিস মশা নিধনে বিদেশ থেকে নতুন ওষুধ আনতে কত সময় লাগবে তা বৃহস্পতিবারের মধ্যে জানাতে বলেন হাইকোর্ট। মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করা উচিত ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি। আদালতের রুল জারির পর ঘুম ভেঙেছে। আদালত বলেন, কেউ যদি জেগে ঘুমায় তাহলে তাকে জাগানো যায় না। দুই সিটি করপোরেশনের অবস্থা সেই রকম। মশা নিধনের বিষয়টি আপনারা সিরিয়াসলি (গুরুত্ব) নিচ্ছেন না। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন।

২৫ জুলাই সিটি করপোরেশনের আইনজীবীরা হাইকোর্টকে জানান, ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে এডিস মশা নির্মূল করতে চায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। কারণ এখন যে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে তাতে মশা নিস্তেজ হয়ে পড়ছে, কিন্তু মরছে না। ফলে ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে দিয়ে মশা নির্মূল করা হবে। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিন দিন সময় দেন আদালত। সে অনুসারে মঙ্গলবার দুই সিটির আইনজীবীরা প্রতিবেদন তুলে ধরেন।