সেঞ্চুরির রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা শেষে বাংলাদেশের ২৩৮

মুশফিকের অষ্টম ওয়ানডে সেঞ্চুরি হতে হতেও হলো না! তিন অংকে যাওয়ার যথেস্ট সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে তাকে স্ট্রাইক দিতে গিয়ে রান-আউট হন তাইজুল ইসলাম (৩)। মুশফিক তখন ৯৬ রানে অপরাজিত। তার সঙ্গী হন মুস্তাফিজ। ভাগ্যগুণে ওভার থ্রোয়ের সৌজন্যে আবারও স্ট্রাইক পান মুশি। তবে তিনি দুটি সিঙ্গেলের বেশি নিতে পারেননি। পঞ্চম বলে সিঙ্গেল নিয়ে শেষ বলে মুস্তাফিজকে স্ট্রাইকে পাঠানো নিয়ে বিতর্কের যথেষ্ট অবকাশ আছে। মুশফিক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১১০ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় ৯৮ রানে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২৩৮ রান।

প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৬ রানেই ভাঙে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। নুয়ান প্রদীপের একটি ফুলটস বলে বিস্ময়করভাবে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান সৌম্য সরকার (১১)। এরপর তামিমও ব্যর্থ হন। বিশ্বকাপে তিন আউটে বাইরের বল স্টাম্পে টেনে এনেছেন তিনি। আজ ইসুরু উদানার বলে একইভাবে বল টানতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৩১ বলে ১৯ রানে। সাকিবের অনুপস্থিতিতে তিন নম্বরে প্রমোশন পাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন (১১) আকিলা ধনাঞ্জয়ার বলে কুসল মেন্ডিসের হাতে ধরা পড়েন।

দলকে ভরসা দিতে আজও ব্যর্থ মাহমুদউল্লাহ। ৬ রান করে আকিলা ধনাঞ্জায়ার দারুণ এক টার্ন করা বলে বোল্ড হয়ে গেছেন তিনি। অহেতুক শর্ট সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রান-আউট হয়ে যান ১৯ বলে ১১ করা সাব্বির রহমান। ৮৮ রানে বাংলাদেশের ইনিংসের অর্ধেক শেষ হয়ে যায়। সম্প্রতি লোয়ার মিডল অর্ডারে ভালো ব্যাট করা মোসাদ্দেক হোসেন আজ ১৩ রান করে ইসুরু উদানার শিকার হন। সবার বিপরীতে দাঁড়িয়ে ৭১ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিক।

দলের এই বিপদে মুশফিকের সঙ্গী হন মেহেদী মিরাজ। অতি প্রয়োজনের সময়ে তার ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। হাফসেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৪৯ বলে ৪৩ করা মিরাজ নুয়ান প্রদীপের শিকার হলে ভাঙে ৮৪ রানের সপ্তম উইকেট জুটি। সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিক। তবে নাটকীয় শেষ ওভারে তার সেঞ্চুরি হয়নি। মুশফিক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১১০ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় ৯৮ রানে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২৩৮ রান।