বুকে ব্যথা : বিলম্বে বিপৎসংকেত

হঠাৎ করে কারো বুকে ব্যথা শুরু হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। বয়স ৩০ হলে বুকে বা বুকের আশপাশে যেকোনো ধরনের ব্যথা বা অস্বস্তি হলে সেটা প্রথমে ধরে নিতে হবে হার্টের ব্যথা। কারণ হার্টের ব্যথা অন্য কোনো ব্যথা থেকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এতে মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি। তা ছাড়া দ্রুত চিকিৎসা না নিলে হার্টের মাংসপেশি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উপসর্গ
► বুকে তীব্র ব্যথা

► শরীর ঘর্মাক্ত হওয়া

► বমি বমি ভাব

► রক্তচাপ কমে যাওয়া

► পালসের গতি বেশি

► চোখে অন্ধকার দেখা ইত্যাদি।

জেনে রাখা দরকার
► ৩০ বছর বয়সের কোনো ব্যক্তির বুকে বা বুকের আশপাশে কোনো ব্যথা হলে অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

► ডায়াবেটিক রোগীর স্নায়ু দুর্বল বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক সময় রোগী ব্যথা অনুভব করে না। তাই হার্ট অ্যাটাকের ব্যথাও ঠিকমতো বুঝতে পারে না।

► বুকে ব্যথা অনুভব না করলেও রোগী বুকে অস্বস্তি, চাপ বা শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে পারে। সেটাকে অ্যাজমা বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা হিসেবে ভুল ভাবলে চলবে না।

► যেকোনো ধরনের হঠাৎ তীব্র অসুস্থতা বোধ করলেও দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া উচিত। প্রথমে একটা ইসিজি করে চিকিৎসক দেখিয়ে নিশ্চিত হতে হবে হার্টের সমস্যা কি না।

► জরুরি অ্যানজিওপ্লাস্টি হলো হার্ট অ্যাটাকের আধুনিক চিকিৎসা। এতে মৃত্যুঝুঁকি কমে এবং হার্টের পাম্পিংক্ষমতা বজায় থাকে। যেকোনোভাবেই হোক, প্রয়োজনে সম্ভব হলে এটি প্রয়োগ করা উচিত।

► চিকিৎসকের ওপর আস্থা রাখুন। তাঁদের উপদেশ মেনে সঠিক চিকিৎসাপদ্ধতি প্রয়োগ করুন। অযথা সময়ক্ষেপণ করে পুরনো চিকিৎসায় ফিরে যাওয়া ঠিক হবে না।

► রাত-দিন যখনই সমস্যা হোক, জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে যেতে হবে। সময়ক্ষেপণ হবে আত্মহত্যার শামিল।