সালমানের মতো শরীর তৈরির ভাবনা আর না!

ঢাকা শহরের একটা দৃশ্য কল্পনা করুন। রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ একটা মানুষের সঙ্গে আপনার ধাক্কা লাগল। তাকিয়ে দেখলেন, যার সঙ্গে আপনার ধাক্কা লেগেছে, তার গায়ে ‘বিয়িং হিউম্যান’ লেখা টি-শার্ট। এটা কিন্তু মোটেই অসম্ভব কল্পনা নয়। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সালমান খানের ‘বিয়িং হিউম্যান’ জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান। ২০১৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের আয় ২ হাজার ৪৬০ কোটি রুপি! আর এর পুরোটা খরচ হয় ভারতের শিশুদের শিক্ষা আর স্বাস্থ্য খাতে।

বলিউডের ‘অ আ ক খ’ যিনি জানেন, তিনি অবশ্যই জানেন, মানুষ হিসেবে সালমান খান কতটা উদার। বন্ধুর বিপদে তিনি সবার আগে হাত বাড়িয়েছেন। এত কাজের ব্যস্ততার ভেতরেও সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন তিনি। ভারতের মানুষের শরীরচর্চার ভাবনাও সালমান খান নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। এবার সালমান খানের মাথায় নতুন পরিকল্পনা উঁকি দিয়েছে। তিনি এবার নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে ভারতে ৩০০টি জিমনেসিয়াম বানাবেন। আর সালমান খান এটি করবেন ২০২০ সালের মধ্যে। অর্থাৎ, হাতে সময় আছে দেড় বছরের কম। তাই এ কথা নিশ্চিন্তে বলা যায়, এখন আর কারও সালমান খানের মতো শরীর তৈরির জন্য ভাবতে হবে না।

সালমান খান নিঃসন্দেহে বলিউডের অত্যন্ত ক্ষমতাবান অভিনেতা। আর তিনি ভারতের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে তাঁর ক্ষমতা দিয়ে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেন। এবার তিনি ভারতের সব মানুষকে নিজের মতো ফিট দেখতে চান। তাই তিনি একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এই প্রকল্পের নাম এসকে-টুয়েন্টি সেভেন জিম ফ্র্যাঞ্চাইজি। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির উদ্দেশ্য, দেশের প্রতিটি মানুষকে ফিট রাখা। এর মাধ্যমে দেশের শরীরচর্চা প্রশিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকরির ব্যবস্থা করবেন তিনি।

২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে সালমান খান নিজের একটি ফিটনেস ব্র্যান্ড বাজারে আনেন। নাম ‘বিয়িং স্ট্রং’। বিয়িং হিউম্যানের পর আসল বিয়িং স্ট্রং। এরই মধ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে ১৭৫টি জিমনেসিয়াম প্রতিষ্ঠার সব পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। অবকাঠামোগত কাজ শুরু হবে শিগগিরই। অল্প সময়ে ‘বিয়িং স্ট্রং’ সারা ভারতে ফিটনেস ব্র্যান্ড হিসেবে খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

এদিকে বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফ বলেছেন, সালমান খান নাকি ফিটনেসের ক্ষেত্রে সবার জন্য আইডল। তবে কি সেই কথাতেই অনুপ্রাণিত হয়ে সালমান খান এই উদ্যোগ নিয়েছেন? কে জানে!