কিশোর ভ্যানচালক শাহীনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৩

কিশোর শাহীনকে গুরুতর আহত করে ভ্যান ছিনতায়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও তিনজন হলেন (বাম থেকে) কেশবপুরের সরফাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২৭), একই গ্রামের নোরিম মোড়ল (৭৮) ও বাজিতপুর গ্রামের আজগর হোসেন (২৬)।
যশোরের কিশোর ভ্যানচালক শাহীনের ওপর হামলা চালিয়ে ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার ভোরের দিকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এই ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নাইমুল ইসলাম ওরফে নাঈম নামের এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। নাঈমুলের জবানবন্দির ভিত্তিতে আজ ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আজ ভোরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কেশবপুরের সরফাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২৭), একই গ্রামের নোরিম মোড়ল (৭৮) ও বাজিতপুর গ্রামের আজগর হোসেন (২৬)। এর আগে গত সোমবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাজিতপুর গ্রামের নাইমুল ইসলাম (২৪), সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার আলাইপুর গ্রামের আরশাদ পাড় ওরফে নুনু মিস্ত্রি (৬৫) ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গোবিন্দকাটি গ্রামের বাকের আলী (৪৫)।

সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান আজ দুপুর ১২টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে ওই তিনজনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সুপার সাজ্জাদুর বলেন, শাহীনকে গুরুতর আহত করে ভ্যান ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন নাঈমুলকে সোমবার গ্রেপ্তার হন। গতকাল বিকেলে নাঈমুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি আরও দুজনের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেন। জবানবন্দির ভিত্তিতে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইলতুৎমিশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আজ ভোর পাঁচটার দিকে কেশবপুর উপজেলায় অভিযান চালায়। অভিযানে নিজ বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর আলম ও আজগর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই উপজেলার সরফাবাদ গ্রাম থেকে নোরিম মোড়ল গ্রেপ্তার হন।