আর্থিক খাতে দুর্নীতির কারণে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে

বাজেট আলোচনায় আজ জাতীয় সংসদ মুখর ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০ বছরের রাজনৈতিক সাফল্যের ইতিহাস ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি ব্যর্থতার পর্যালোচনায়।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকার দলীয় ও বিরোধী দলীয় সদস্যরা এ দেশের জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন এবং ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলতে স্বাধীনতা বিরোধীদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেসব ষড়যন্ত্র আজ কীভাবে ব্যর্থ হয়েছে, তা তুলে ধরেন।
একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা তুলে ধরেন সরকার দলীয় এমপিরা। অপরদিকে বিশাল পরিমাণ ঋণ খেলাপি ও আর্থিক খাতে দুর্নীতির কারণে বিনিয়োগ ও ব্যবসাসহ দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা এভাবেই স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। অধিবেশনে পর্যায়ক্রমে সাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া।

আলোচনায় অংশ নেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর আমির হোসেন আমু, ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আফসারুল আমীন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, সরকার দলীয় সদস্য একে এম রহমতুল্লাহ, জোয়াহেরুল ইসলাম মোরশেদ আলম, ইমাজ উদ্দীন পরামানিক, মহিলা এমপি আদিবা আনজুম মিতা, জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের সুলতান মোহম্মদ মনসুর আহমদ প্রমুখ।