সুখের ছিল না ব্রাড পিট-জেনিফারের দাম্পত্য জীবন

হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক জোড়া লাগছে ব্রাড পিটের। জেনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১১ সালে এক সাক্ষাৎকারে ব্রাড পিট জানিয়েছিলেন, অ্যানিস্টনকে বিয়ের পর বিষণ্ণ হয়ে পড়েছিলেন। বিয়ের পর তিনি মজার কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নিজের জীবন নিয়েই তিনি খুশি ছিলেন না। কিন্তু বাইরের দুনিয়ার সামনে সুখী মানুষের অভিনয় করতে হয়েছিল।

তবে এ জন্য অ্যানিস্টনকে দোষ দেননি ব্রাড পিট। তিনি বলেন, আমি বলতে চাই না জেন (জেনিফার অ্যানিস্টন) বিষণ্ণ ছিল, বরং আমি নিজেই বিষন্ন হয়ে পড়েছিলাম এবং তার জন্য আমি নিজেই দায়ী।

ছয় বছর সংসার করার পর জেনিফার ও ব্রাড পিটের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ব্রাড পিট বিয়ে করেন আরেক হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে। ২০১১ সালে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, জেনিফারের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল না। তাই অ্যাঞ্জেলিনার সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে।
জেনিফারকে ওই সময় খোঁচাও দিয়েছিলেন ব্রাড পিট। দীর্ঘদিন একসঙ্গে সংসার করলেও জেন ও পিটের কোনো সন্তান হয়নি। সাক্ষাৎকারে ব্রাড পিট বলেন, আমার জীবনের সেরা অর্জন হল জোলিকে আমার সন্তানেরা তাদের মা হিসেবে পেয়েছে। জোলি মা হিসেবে দারুণ।

ব্রাড পিটের এই বক্তব্যে জেনের ভক্তরা ক্ষিপ্ত হন। পরে পিট বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। জেন ও আমি খুবই ভালো বন্ধু এবং আমার কাছে এ সম্পর্কের গুরুত্ব অনেকখানি।

সম্প্রতি জোলির সঙ্গেও ব্রাড পিটের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। তারা এখন ছয় সন্তানের আইনি অভিভাবকত্ব নিয়ে লড়াই করছেন।