আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের ৬৯তম জন্মদিন আজ (৩০ মার্চ)। তিনি ১৯৫৬ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। আনিসুল হকের বাবা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিশ্বস্ত ছিলেন। তার মা জাহানারা হক ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং শিক্ষাবিদ। আনিসুল হক ঢাকার সেন্ট জোসেফ হাই স্কুল থেকে ও-লেভেল সম্পন্ন করেছেন। এরপর তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে অ্যাডভান্সড লেভেল (এ-লেভেল) সম্পন্ন করেন। এ-লেভেল শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ (অনার্স) স্নাতকোত্তর শেষ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবিতে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংস কলেজ থেকে তিনি এলএলএম সম্পন্ন করেন। আনিসুল হক ১৯৮৫ সালের নভেম্বরে ঢাকা জেলা বারে এবং ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধিত হন এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আনিসুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১২ জানুয়ারি তিনি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনিসুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি সংসদ-সদস্য হিসাবে শপথ প্রহণ করেন। এরপর তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে ৭ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, আনিসুল হক আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১০ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ-সদস্য এবং ১১ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের ৬৯তম জন্মদিন আজ (৩০ মার্চ)। তিনি ১৯৫৬ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।

আনিসুল হকের বাবা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিশ্বস্ত ছিলেন। তার মা জাহানারা হক ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং শিক্ষাবিদ।

আনিসুল হক ঢাকার সেন্ট জোসেফ হাই স্কুল থেকে ও-লেভেল সম্পন্ন করেছেন। এরপর তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে অ্যাডভান্সড লেভেল (এ-লেভেল) সম্পন্ন করেন। এ-লেভেল শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ (অনার্স) স্নাতকোত্তর শেষ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবিতে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংস কলেজ থেকে তিনি এলএলএম সম্পন্ন করেন।

আনিসুল হক ১৯৮৫ সালের নভেম্বরে ঢাকা জেলা বারে এবং ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধিত হন এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আনিসুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১২ জানুয়ারি তিনি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনিসুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি সংসদ-সদস্য হিসাবে শপথ প্রহণ করেন। এরপর তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে ৭ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, আনিসুল হক আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১০ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সংসদ-সদস্য এবং ১১ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন।

পূর্বের খবরইসলামের আগে কি যাকাত দেয়ার ব্যবস্থা চালু ছিল?
পরবর্তি খবরসংকটের পর শ্রীলঙ্কার মূল্যস্ফীতি এখন সর্বনিম্ন