আওয়ামী লীগ নেতারা ১৯৭১ সালে যেভাবে ভারতের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন

অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার দেয়ার হচ্ছে।

পাকিস্তানি বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ যখন ঢাকায় গণহত্যা চালিয়েছিল তখন থেকেই ভারতীয় তাদের সীমান্তে এলাকায় সতর্কতা বাড়িয়ে দিয়েছিল। পূর্ব-পাকিস্তানের ঘটনা প্রবাহ কোন দিকে এগোচ্ছে সেদিকে কড়া নজর রাখছিল দিল্লি।

অপারেশন সার্চ লাইটের পর শেখ মুজিবের পরিণতি কী হয়েছে সেটি তখনো পরিষ্কার নয়। তিনি কি বেঁচে আছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে সেটি নিয়ে দিল্লির কাছে তাৎক্ষণিকভাবে কোন তথ্য ছিল না।

২৫ মে মার্চ গণহত্যার কয়েকদিনের মধ্যেই আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা ভারত সীমান্তের দিকে রওনা হয়েছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব কিভাবে ভারতের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন?

ভারত ছিল সতর্ক

২৫শে মার্চ ঢাকায় গণহত্যা চালানো এবং এরপর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে ভারতে ইন্দিরা গান্ধী সরকার তাদের করণীয় নির্ধারণের জন্য নানা বৈঠক করে।

‘অ্য গ্লোবাল হিস্ট্রি অব দ্য ক্রিয়েশন অব বাংলাদেশ’ বইতে শ্রীনাথ রাঘভান লিখেছেন, মিসেস গান্ধী ও তার মুখ্যসচিব পি এন হাকসার একমত হন যে পূর্ব-পাকিস্তানের বিষয়ে তাদের সাবধানে পা ফেলতে হবে।

পাকিস্তান জাতিসংঘের সদস্য। সেজন্য পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভালো ভাবে নেবে না।

মি. রাঘভান লিখেছেন, ভারতীয় মহলে এই চিন্তা ছিল যে যতদিন পর্যন্ত মুজিব ও তার সহকর্মীরা তাদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না ততদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে না।

তবে মিসেস গান্ধী ও তার রাজনৈতিক উপদেষ্টারা এটাও বুঝতে পারছিলেন যে পূর্ব-পাকিস্তানের বিষয়ে ‘কিছু একটা করার জন্য’ সংসদের ভেতরে এবং জনগণের তরফ থেকে চাপ আসতে পারে।

সেজন্য ইন্দিরা গান্ধী ২৬শে মার্চ সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধী দলগুলোর নেতাদের সাথে কথা বলেন। সেখানে তিনি তার চিন্তাভাবনা ব্যাখ্যা করেন।

একই সাথে তিনি বিরোধী দলগুলোকে অনুরোধ করেন যাতে তারা এই বিষয়টি জনসম্মুখে বিতর্কের জন্য না আনেন।

এর কয়েকদিন পরে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরন সিং ভারতীয় পার্লামেন্টে একটি বিবৃতি দিয়ে বলেন যে তারা পূর্ব-পাকিস্তানের ঘটনা প্রবাহে উদ্বিগ্ন এবং সেখানকার জনগণের দুর্দশার প্রতি তাদের সহানুভূতি আছে।

কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যে বিরোধীরা সন্তুষ্ট হতে পারেনি। তারা আরো পরিষ্কার বিবৃতি দাবি করে।

এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পার্লামেন্টে বলেন, পূর্ব-পাকিস্তানের ঘটনার প্রতি তারা নজর রাখছেন। এবং একই সাথে তাদের যথাযথ আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।

সীমান্তে তাজউদ্দীন আহমদ

ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া হয়ে ৩০শে মার্চ সন্ধ্যায় তাজউদ্দীন আহমদ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে হাজির হন। তার সাথে ছিলেন ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম।

সেখানে তাদের সাথে দেখা হয় পশ্চিমবঙ্গের বিএসএফ-এর কর্মকর্তা গোলক মজুমদারের সাথে। এর আগে থেকেই বিএসএফ আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছিল।

ভারতীয় ইতিহাসবিদ মি. রাঘভান লিখেছেন, সীমান্তে বিএসএফ কর্মকর্তার কাছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের একটি তালিকা হস্তান্তর করেন তাজউদ্দীন আহমদ।

তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গী আমীর-উল-ইসলাম তার ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি’ বইতে লিখেছেন – সেদিন রাতেই তাজউদ্দীন আহমদ ও আমীর-উল-ইসলামকে একটি গাড়িতে করে কলকাতা বিমান বন্দরে নিয়ে যান গোলক মজুমদার।

আমীর-উল-ইসলাম লিখেছেন, তাজউদ্দীন আহমদ ভারতে প্রবেশ করার পর বিষয়টি বিএসএফ প্রধানকে অবহিত করেন বাহিনীটির আঞ্চলিক কর্মকর্তা গোলক মজুমদার। সেজন্য বিএসএফ প্রধান জরুরী ভিত্তিতে দিল্লি থেকে কলকাতায় আসেন।

কলকাতা বিমানবন্দরে তাদের সাথে সাক্ষাৎ হয় বিএসএফ-এর তৎকালীন মহাপরিচালক কে.এফ রুস্তামজির সাথে।

“রুস্তমজি একসময় ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর নিরাপত্তা প্রধান ছিলেন। নেহেরু পরিবারের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর খুবই আস্থাভাজন,” লিখেছেন আমীর-উল-ইসলাম।

পরবর্তী তিনদিন তাজউদ্দীন আহমদ বিএসএফ কর্মকর্তাদের সাথে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা করেন। এসব আলোচনায় তারা পূর্ব-পাকিস্তানে লড়াই চালিয়ে যাওয়া ও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য তাদের সংকল্প ব্যক্ত করেন।

বিএসএফ যাতে সীমান্তে বাংলাদেশের সৈন্যদের অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে সেজন্য সাহায্য চান তাজউদ্দীন আহমদ।

কিন্তু বিএসএফ কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন যে এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত তার একার পক্ষে নেয়া সম্ভব নয়। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সম্মতি প্রয়োজন।

সেজন্য বিএসএফ মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে তাজউদ্দীনের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।

তাজউদ্দীন সম্পর্কে ধারণা নেই

এপ্রিল মাসের এক তারিখে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি পুরনো মালবাহী বিমানে করে তাজউদ্দীন আহমদ ও আমীর-উল-ইসলামকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের রাখা হয় বিএসএফ এর একটি গেস্টহাউজে।

আমীর-উল-ইসলাম লিখেছেন, কলকাতা থেকে দিল্লি যাওয়া এবং ইন্দিরা গান্ধীর সাথে তাজউদ্দীন আহমদের দেখা করার বিষয়টি বেশ গোপনে হয়েছিল। তাদের দিল্লি যাত্রা যাতে কেই টের না পায় সেজন্য মালবাহী বিমানে তাদের ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন আমীর-উল-ইসলাম।

তাজউদ্দীন যখন দিল্লিতে পৌঁছান তখন সে শহরেই ছিলেন বাংলাদেশের সুপরিচিত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান।

অধ্যাপক সোবহানের তার আত্মজীবনী ‘আনট্রাঙ্কুয়াল রিকালেকশানস: দ্য ইয়ারস অব ফুলফিলমেন্ট’ বইতে তখনকার কিছু ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

“তাজউদ্দীন দিল্লি পৌঁছোবার পর বাংলাদেশের আন্দোলন নিয়ে কর্তৃত্বের সাথে কথা বলার যোগ্যতম ব্যক্তি স্পষ্টত তিনিই ছিলেন,” লিখেছেন অধ্যাপক সোবহান।

অধ্যাপক সোবহানের বর্ণনায়, “তিনি (তাজউদ্দীন) যখন দিল্লিতে আসেন ভারতীয় নেতৃবৃন্দ সে সময় বঙ্গবন্ধুর বাইরে বাংলাদেশের আর কোন নেতাকে চেনা দূরে থাক, নামই শোনেনি। শুধু মুজিবই তখন আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেছেন।”

তাজউদ্দীন দিল্লিতে পৌঁছানোর পরেও তার সম্পর্কে ভারতীয় কর্মকর্তারা নানাভাবে খোঁজখবর করছিল। তারা তাজউদ্দীন সম্পর্কে বোঝার চেষ্টা করছিল।

কারণ, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করানোর আগে তাজউদ্দীন সম্পর্কে ভারতের কর্মকর্তারা সম্যক ধারণা নিতে চেয়েছিলেন।

ইন্দিরা গান্ধীর মুখ্যসচিব পি এন হাকসার রেহমান সোবহানের কাছে তাজউদ্দীন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বে দেবার জন্য আর কে থাকতে পারে? এটি ছিল হাকসারের জানার বিষয়।

“তাজউদ্দীন সে সময় দিল্লিতে এসেছেন এটা না জেনেই আমি বলেছিলাম, এই ভূমিকা সম্ভবত তাজউদ্দীন আহমদ পালন করতে পারে,” লিখেছেন রেহমান সোবহান।

সেজন্য রেহমান সোবহান, আমীর-উল-ইসলাম এবং অন্যান্যরা তাজউদ্দীন আহমদকে পরামর্শ দেন যে শেখ মুজিবের অবর্তমানে তাকেই নেতৃত্বের ভার নিতে হবে।

তিনি আশংকা করেছিলেন, নেতৃত্বের ভূমিকা নিলে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান, মনসুর আলী ও খন্দকার মোশতাকের মতো সিনিয়র নেতারা তার ওপর নাখোশ হতে পারেন।

ইন্দিরা গান্ধীর সাথে বৈঠক

ইন্দিরা গান্ধীর সাথে বৈঠকে তাজউদ্দীন আহমদ নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করবেন সেটি নিয়ে বড় সংশয় ছিল তার মনে।

‘অ্য গ্লোবাল হিস্ট্রি অব দ্য ক্রিয়েশন অব বাংলাদেশ’ বইতে শ্রীনাথ রাঘভান লিখেছেন, তাজউদ্দীন যদি নিজেকে শুধু আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা হিসেবে ইন্দিরা গান্ধীর সাথে দেখা করেন তাহলে তিনি অনেক সহানুভূতি পাবেন। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধ চালানোর জন্য যে রসদ দরকার সেটি হয়তো খুব একটা পাবেন না।

এপ্রিল মাসের চার তারিখে তাজউদ্দীন আহমদ দেখা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে।

ইন্দিরা গান্ধীর সাথে তাজউদ্দীন যখন দেখা করতে যান তখন অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এমনটাই লিখেছেন আমীর-উল-ইসলাম। সে বৈঠকের বিষয়টি পরবর্তীতে আমীর-উল-ইসলাম তাজউদ্দীনের কাছ থেকে জেনেছেন।

“মিসেস গান্ধী বারান্দায় পায়চারী করছিলেন। তাজউদ্দীন ভাইয়ের গাড়ি পৌঁছে যাবার পর তাকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্টাডি রুমে নিয়ে যান। স্বাগত সম্ভাষণ জানিয়ে মিসেস ইন্দিরা গান্ধী প্রথম প্রশ্ন করেন – হাউ ইজ শেখ মুজিব? ইজ হি অলরাইট? (শেখ মুজিব কেমন আছে? তিনি ঠিক আছেন?)” লিখেছেন আমীর-উল-ইসলাম।

জবাবে তাজউদ্দীন বললেন, ২৫শে মার্চ রাত থেকে শেখ মুজিবের সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই। তবে শেখ মুজিব গ্রেফতার হওয়ার আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানান তাজউদ্দীন আহমদ।

স্বাধীনতা যুদ্ধকে এগিয়ে নেবার জন্য তিনি ভারতের সহায়তা কামনা করেন।

শ্রীনাথ রাঘবন লিখেছেন, ইন্দিরা গান্ধীর সাথে বৈঠকে তাজউদ্দীন বলেছিলেন, শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন এবং আওয়ামী লীগের পাঁচজন সিনিয়র নেতাকে দিয়ে ক্যাবিনেটও গঠন করেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাজউদ্দীন নিজেকে সেই সরকারের প্রাধনমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন কী না সেটি পরিষ্কার নয়। তবে শেখ মুজিবের অনুপস্থিতি এবং অন্যান্য সিনিয়র নেতারা ছত্রভঙ্গ থাকায় তাজউদ্দীন এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই সংগ্রাম এগিয়ে নেবার দায়িত্ব তার কাঁধে।

এরপরের দিন ইন্দিরা গান্ধীর সাথে তাজউদ্দীন আহমদ আবারো দেখা করেন। সে বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি নিয়ে মিসেস গান্ধী কিছু বলেননি।

তবে সীমান্তে বাংলাদেশি যোদ্ধাদের সহায়তা করার বিষয়টি তিনি আশ্বস্ত করেছেন। তবে সেটি কোন মাত্রায় হবে এবং কিভাবে হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

ভারতের দিক থেকে পরামর্শ দেয়া হয় একটি সরকার গঠনের জন্য। এছাড়া তাজউদ্দীন আহমদকে পরামর্শ দেয়া হয় একটি কমান্ড ও কমিউনিকেশন চ্যানেল স্থাপনের জন্য। যেখানে একটি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থাকবে এবং যাদের মাধ্যমে অস্ত্রশস্ত্র এবং অন্যান্য সহায়তা দেয়া হবে এবং ভারতের যোগাযোগ থাকবে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য কোন ধরনের সাহায্য লাগবে সেটি নির্ণয় করতে ইন্দিরা গান্ধী একটি কমিটি গঠন করেন।

ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে রাজনৈতিক বিষয়গুলো দেখভাল এবং সব ধরনের সমন্বয় করবে রিসার্চ এন্ড এনালাইসিস উইং বা ‘র’। অন্যদিকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে।

শ্রীনাথ রাঘবন লিখেছেন, ইন্দিরা গান্ধীর সাথে দেখ হবার এক সপ্তাহের মধ্যে ভারতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর সাথে তাজউদ্দীন আহমদের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে তাজউদ্দীন আহমদের ভাষণ প্রচারিত হয়।

এর দুইদিন পর অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয় এবং ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার তৎকালীন বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমানে মুজিবনগর) অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। সে অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।

এস/ভি নিউজ

পূর্বের খবরসিলেটে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত
পরবর্তি খবরস্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী