জেনে নিন আদা তেলের স্বাস্থ্য সুবিধা

আদা একটি অসাধারণ মসলা যা অনেক খাদ্য প্রস্তুতির কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা এবং রোগে গৃহ প্রতিকার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

আদা এমন স্বাস্থ্যকর মশলাগুলোর একটি যা আপনি দৈনন্দিন খাবার উপকরণের সঙ্গে রাখতে পারেন। এতে থাকা রোগ নিরাময়ের সমস্ত উপাদান জিনজারোল নামের বায়ো-অ্যাকটিভ যৌগে জমা থাকে। যৌগটিতে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সক্ষমতা যা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ও গলা ব্যথায় ব্যবহৃত। এটি কাজে লাগে সৌন্দর্য চর্চায়ও। এর প্রদাহ রোধী সুবিধার কারণে চামড়া ও  চুলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষায় সাহায্য করে।

এসব স্বাস্থ্য সুবিধার কারণে আদা থেকে উৎপাদিত তেলও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। অনেক স্বাস্থ্য সমস্যায় এটি অত্যন্ত কার্যকর। চুল ও ত্বকে প্রয়োগ ছাড়াও ভালো স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতিতে এটি খাওয়াও যেতে পারে।

আদা তেল এবং এর উপকারিতা
আদা থেকে উৎপাদিত তেল রন্ধনসম্পর্কীয় বিষয় ছাড়াও ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মসলা হিসেবে এবং খাবারে স্বাদ আনতে এই তেল চমৎকার কাজ করে। বেকিং পণ্য বা কনফেকশনারিতে এর গন্ধ যোগ করা হয়।

এখানে আদা তেলের কিছু সুবিধা তুলে ধরা হলো :

১। ব্যথা কমাতে
পেশি ও হাঁড়ের জয়েন্টের ব্যথা উপশমে আদা তেলের প্রয়োগ চমৎকার কাজ করে। ওষুধের পাশাপাশি প্রাকৃতিক এই প্রয়োগের প্রচলন দীর্ঘদিনের।

২। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত স্বাস্থ্যের উন্নতিতে
আদা তেল গলা ও নাক থেকে শ্লেষ্মাকে পরিষ্কার করে শ্বাস-প্রশ্বাসকে সহজ করতে সহায়তা করে। এটি সর্দি কাশিসহ ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর।

৩। হজমে সাহায্য করে
আদা তেল অল্প পরিমাণে সেবন করলে পাচক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি খাদ্যে বিষক্রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তেও সাহায্য করে।

পেষা আদা ও অলিভ অয়েল বা যে কোনো স্বাস্থ্যকর তেল দিয়ে বাড়িতে আপনি তৈরি করতে পারেন আদা তেল।

এক কাপ তেলে ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম আদা নিন। আদার পেস্ট করুন। তেল হালকা গরম হতে দিন ওভেনে। হালকা গরম হলে আদার পেস্ট ছেঁকে আদার রস গরম তেলে দিন। আঁচ হালকা রাখুন। খেয়াল রাখবেন তেল যেন না ফোটে। ১০ মিনিট এভাবে রেখে নামিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে ছেঁকে বোতলে ভরে ব্যবহার করুন।

সূত্র : এনডিটিভি