হালান্ডের হুঙ্কার: আমরা আসছি

গোল করুক কিংবা না করুক; সব সময় আলোচনায় থাকেন আর্লিং হালান্ড। চোট কাটিয়ে দুই মাস পর মাঠে ফিরে আগের সেই ছন্দে ছিলেন না ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড। তাতে সমালোচনার ঢেউ বয়ে আসছিল তাঁর দিকে। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরতে থাকা হালান্ড যেন ফিরে এলেন ভয়ংকর রূপে।

গত রাতে এফএ কাপে লুটন টাউনের বিপক্ষে আগুনে ম্যাচ খেলেছেন ম্যানসিটির এই ফরোয়ার্ড। তাতে আরো আগ্রাসী ফুটবলের ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

এফএ কাপে পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে লুটন টাউনকে নিয়ে যেন ছেলেখেলায় মেতে উঠেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। বলতে গেলে একাই মেতেছিলেন আর্লিং হালান্ড।

৬-২ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে হালান্ড একাই করেছেন পাঁচ গোল। ক্যারিয়ারে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার এক ম্যাচে পাঁচ গোল করলেন হালান্ড। এর আগে গত বছর চ্যাম্পিয়নস লিগে লিপজিগের বিপক্ষে পাঁচ গোল করেছিলেন নরওয়েজিয়ান এই ফরোয়ার্ড। ম্যানসিটির জার্সিতে এটি তাঁর অষ্টম হ্যাটট্রিক।

আর ম্যানসিটির প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে দুইবার পাঁচ গোল করলেন তিনি।

লুটনের মাঠে তৃতীয় মিনিটেই কেভিন ডি ব্রুইনের বাড়ানো বলে জাল খুঁজে নেন আর্লিং হালান্ড। ১৮ মিনিটে আবারও ডি ব্রুইন ও হালান্ড রসায়ন। বেলজিয়ান মিডফিল্ডারের পাসেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হালান্ড। ৪০ মিনিটেই হ্যাটট্রিক সেরে ফেলেন এই ফরোয়ার্ড।

এরপর ৫৫ ও ৫৮ মিনিটে আরো দুইবার বল জালে পাঠিয়ে নিজের পঞ্চম গোল পূরণ করেন।

ম্যাচের পর যেন হুঙ্কার ছাড়লেন হালান্ড,’আসছে, আমরা আসছি।’ হালান্ডের ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তাঁর জবাব তিনি নিজেই দিয়েছেন, ‘আমার ফিটনেস? আমি সেরা ছন্দে ফিরেছি। অবশেষে ভালো অনুভব করছি। সত্যি, দুর্দান্ত অনুভূতি। রোমাঞ্চকর সময় আসছে সামনে, আমরা আরো আক্রমণের জন্য প্রস্তুত।’

সিটিজেনদের জার্সিতে ৮৩ ম্যাচেই হালান্ডের গোল এখন ৭৯। আর এই ৭৯ গোলে কেভিন ডি ব্রুইন সহায়তা করেছেন ১৬টি গোলে, যার চারটি এসেছে গতরাতে। এই দুজনের রসায়নের বিষয়টি বিশেষভাবেই উল্লেখ করেছেন সিটি বস পেপ গার্দিওলা, ‘আর্লিং ও কেভিন আগুনে রূপে…দুজনের মেলবন্ধন একদম নিখুঁত। কেভিনের মতে একজন ফুটবলার প্রয়োজন আর্লিংয়ের, তেমনি কেভিনেরও প্রয়োজন আর্লিংয়ের মতো একজনকে।’

এস/ভ নিউজ

পূর্বের খবরসরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
পরবর্তি খবরবাংলাদেশে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: আইজিপি