গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

68

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি। তাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই। বিএনপির তাদের আন্দোলন নেতাদের মধ্যে সীমতি।

ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বকশীবাজারে নবকুমার ইনস্টিটিউটশন ও ডক্টর শহীদুল্লাহ্ কলেজ প্রাঙ্গনে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের বেদিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত মাইলফলক। বিএনপি ৭ মার্চ, ৭ জুন, ১৪ এপ্রিল, ১০ জানুয়ারি, ২৪ জানুয়ারি মানে না, পালন করে না। 

 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, অন্যরা পাঠকমাত্র। 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জাতীয় সংসদের উপনেতা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, এদেশে ভাষা আন্দোলন কিংবা গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে। যখন একটি আন্দোলন সর্বস্তরের জনগণকে স্পর্শ করে তখন সে আন্দোলন সফল হয়। মতিউর একটি অবিনশ্বর চেতনার নাম। এসময় তিনি শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন। 

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান বলেন, বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল এদের দিয়ে রাজনীতি সম্ভব নয়। তারা দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে না, ক্ষমতার জন্য তারা উন্মাদ হয়ে গেছে। তারা দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পাঁয়তারা করছে। দেশের মধ্যে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে মানুষ তাদের ছাড় দেবে না।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুই জানে না। তাদের রাজনীতি থেকে চিরদিনের মতো বিতাড়িত করা উচিত।  তারা দেশের মধ্যে সন্ত্রাসী কার্মকাণ্ডে লিপ্ত। এদেশের সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বিষবৃক্ষ হলে বিএনপি।  

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমদে মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।