প্রবাসীদের সহায়তা চাইলেন মেয়র আতিক

112
প্রবাসী

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রথমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) স্মার্ট সিটিতে পরিণত করতে চান মেয়র আতিকুল ইসলাম। এ জন্য তিনি প্রবাসীদের সহায়তা চাইলেন। স্থানীয় সময় রোববার (২২ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিস আয়োজিত মায়ামি ও এর আশপাশে বসবাসরত প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন তিনি।

এ আয়োজনে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও ছিলেন মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আর শিক্ষকরা। এ অনুষ্ঠানে দেশের হয়ে কাজ করার কথা জানান মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে আধুনিক নগরের প্রশিক্ষণ নিতে ডিএনসিসির একটি টিম এখন ফ্লোরিডার মায়ামিতে। মেয়রের নেতৃত্বে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন ও ট্যাক্স আদায়সহ আধুনিক নগর গড়ায় বেশকিছু বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন উত্তর সিটির সর্বোচ্চ কর্মকর্তা আর কয়েকজন কাউন্সিলর।

মেয়র আতিক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন; সে লক্ষ্যে আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) থেকেই তা শুরু করতে চাই।’ এ জন্য প্রবাসীদের সহায়তা চাইলেন মেয়র আতিক। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কিংবা পরিবেশ নিয়ে কাজ করা এসব মেধাবী জানালেন বাংলাদেশ নিয়ে তাদের আগ্রহের কথা। সুযোগ পেলে নিজের মেধা আর অভিজ্ঞতা দেশের জন্য কাজে লাগাতে চান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, এখানকার পরিবেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পরিবেশের অনেক মিল আছে। পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক সমস্যার ক্ষেত্রেও এ দুই জায়গায় অনেক মিল রয়েছে। মিয়ামি তাদের এ সংকট মোকাবিলায় কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেটা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য আমাদের রিসোর্সটা কাজে লাগানো যেতে পারে।

পরে ঢাকা উত্তরের মেয়র জানান, যেকোনো পরামর্শ দিয়ে স্মার্ট সিটি গড়তে প্রবাসীদের পাশে চান তিনি। তাদের মেধার যোগ্য সম্মান দেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি। আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের জন্য ডিএনসিসির দরজা সবসময় খোলা থাকবে। ডিজিটাল যুগে আমরা এখান (যুক্তরাষ্ট্র) থেকেও কাজ করতে পারি।’ অদূর ভবিষ্যতে ডিএনসিসিকে স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার কথাও জানান আতিকুল ইসলাম।