ওমানের প্রতারকরা নিরাপদে আছেন: পর্ব-১

181
ওমানের

রাকিবুল হাসান অন্তু: ওমান দেশটি প্রতারকদের জন্য নিরাপদ আস্তানা হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশী বেশকিছু মানি একচেঞ্জ হাউজ, রিক্রুটিং এজেন্সী ও নাম ধারী কিছু ব্যক্তি এই প্রতারনার সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশের কিছু দাগী আসামী মামলা থেকে বাচঁতে পালিয়ে ওমানে যান। বাংলাদেশে থাকা কালে তারা বর্তমান সরকার বিরোধী ও রাষ্ট্র বিরোধী অনেক কার্যকলাপের সাথে সম্পৃক্ত ছিল।

বর্তমানে ওমান সরকার বাংলাদেশীদের জন্য ভিসার শর্তাবলী শিথিল করায় সাধারণ প্রবাসী কর্মীর পাশাপাশি দাগী আসামিরাও পালিয়ে ওমানে আস্তানা গড়ে তুলছে। সেখানে তারা বিভিন্ন অপরাধ মুলক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে। অনতি বিলম্বে এসব দাগী আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত না করা গেলে, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী সাধারণ প্রবাসী দের প্রতি আস্থার সংকট তৈরী হবে। এসব পলাতক আসামীরাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে হুন্ডি, মাদক পাচার, নারী পাচার, অনলাইনে রাষ্ট্র বিরোধী বক্তব্য সহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত।

ওমানের মাস্কাট ও সালালাহর সাধারণ প্রবাসীগণ ভিনিউজ কে জানান, ওমানে বর্তমানে কাজের সংকট সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছেছে। তারপরও ওমানের ও দেশের দালালরা আমাদের দেশের সাধারণ নাগরিকদের ভুল বুঝিয়ে লোভ দেখিয়ে ৩ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়ে কোনো ভাবে ওমানে এনেই লাপাত্তা হয়ে যায়। পরবর্তীতে দেখা যায়, যে ভিসা দিয়ে কর্মী এনেছিল সেই ভিসা ভূয়া অথবা ফ্রি ভিসা ছিল। যার কারণে সেই কর্মী আর কোন কাজ পায়না। অবৈধ হওয়ার কারণে কোন কোম্পানীও তাদের নিতে আগ্রহ দেখায় না। তারপর থেকেই সেই কর্মীর মানবেতর জীবন শুরু হয়। বৈধ ভিসা না থাকায় পুলিশ এর থেকেও পালিয়ে পালিয়ে থাকতে হয়। এভাবে লক্ষ লক্ষ লোক ওমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এসব বেকার প্রবাসী কর্মীদের আবারও নতুন করে লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন অপরাধমুলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত করছে প্রতারকরা। বেচেঁ থাকার তাগিদে কিছুকিছু সাধারণ প্রবাসী বাধ্য হচ্ছে প্রতারকদের ফাঁদে পা দিতে।

বাংলাদেশ সরকারে প্রতি সাধারন প্রবাসীরা অনুরোধ করেছেনে যেন এসকল প্রতারকদের অনতি বিলম্বে আইনের আওতায় আনা হয়।

চলবে….