নানা সমস্যা সংকটে অভ্যন্তরীণ বিমান ব্যবসা

129
বিমান

মহামরারি ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই জেট ফুয়েলের উচ্চ মূল্য আর যাত্রী সংকটে হোঁচট খাচ্ছে এভিয়েশন ব্যবসা। এরইমধ্যে বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে সরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান। আর সিভিল এভিয়েশনের বৈষম্যের কারণে হুমকির মুখে বেসরকারি সংস্থাগুলোও। উল্লেখ্য, দেশে যখন যাত্রীর চাপ বাড়ছিল, ঠিক তখনই এয়ারলাইন্সগুলোতে বড় ধরনের ধাক্কা দেয় করোনা মহামারি। এরপর জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্য মরার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে আসে।

সিভিল এভিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর (অব.) ইকবাল হোসেন জানান, বিশ্বে বাজারে তেলের দাম বাড়লে উন্নত দেশগুলো যে অনুপাতে দাম বাড়ায়, পরে তেলের দাম কমে গেলে সে অনুপাতে কমিয়ে আনে। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়লে দেশে ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু বিশ্ব বাজারে যখন কমলো, দেশে তখন সেটি মাত্র ০.২ শতাংশ কমানো হয়। এই খাতটি (এভিয়েশন) বৃদ্ধি করার জন্য আমরা মানসিকভাবে তৈরি হয়নি।

নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ডলারের অবমূল্যায়ন ও তেলের আকাশচুম্বী মূল্য- সবকিছু মিলিয়ে আমরা শঙ্কা দেখতে পাচ্ছি। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ থামবে বা বিশ্ব পরিস্থিতির শিগগিরই উন্নতি হওয়ার লক্ষণ নেই। এই বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খারাপ অবস্থার শঙ্কা করছি। সরকারিভাবে উড়োজাহাজে তেল সরবরাহ করে পদ্মা অয়েল। তারা বিদেশি এয়ারলাইন্সের কাছে যে দামে তেল বিক্রি করে, দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে নেয় তার চেয়েও বেশি। এই বৈষম্য বেসরকারি খাতের টিকে থাকার জন্য কঠিন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।