ওমানের দর্শনীয় স্থান: পর্ব-২

লেখক: রিদওয়ানুল করিম

175
ওমানের

সালালাহ শহরটি ওমানের সবুজ শহর হিসাবে পরিচিত। এর আয়তন প্রায় ৯৯’৩০০ বর্গ কিলোমিটার (৩৮,৩০০ বর্গ মাইল)। প্রতি বছর শরৎকালে ধোফারে “খারিফ” নামে একটি অনুষ্টান বা উৎসব হয়। ২১শে জুন থেকে ২১শে সেপ্টেম্বর সময়টায় সালালাহতে খারিফ হয়ে থাকে। বিভিন্ন দেশের ব্যবসা প্রতিষ্টানের অংশগ্রহণে বেশ জমজমাট হয় এই ‘খারিফ’ অনুষ্ঠান।

মূলত জুন-জুলাই মাসে পুরো আরব যখন গ্রীষ্মের খরতাপে উত্তপ্ত থাকে তখন ওমানের ধোফার অঞ্চলে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি, হিমেল হাওয়ার সাথে মেঘলা আকাশের মিশ্রণে মনোরম এক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া পাহাড় ও বিস্তীর্ণ ভূমি গুলোও সবুজে ছেয়ে যায়। পুরো আরবের মানুষগুলো তখন ওমানের ধোফার বা সালালাহ শহরে এসে ভীড় করে প্রকৃতির এই মনোরম স্বাদ নিতে।

সালালাহর মূল আকর্ষণ নবীদের কবর ও স্মৃতিবিজড়িত স্থান এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হলেও এখানে রয়েছে বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা, এবং ইউনেস্কোর তালিকাভূক্ত বেশ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সুলতান কাবুস মসজিদ, ফ্রাঙ্কেন্সেস ভূমির যাদুঘর, আল বালিদ প্রত্নতাত্ত্বিক উদ্যান, তাকাহ দূর্গ, কাসর আল হোসেন ও খোর ররি ইত্যাদি।

তাছাড়া সালালাহ শহরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও মাস্কেটের সাথে সরাসরি বাস সার্ভিস থাকায় সারাবছর পর্যটকদের আনাগোনা থাকেই। তবে শীতের সময় ইউরোপের পর্যটকদের আনাগোনা থাকে চোখে পড়ার মতো। পর্যটকদের ঘিরে সালালাহ ও আশেপাশের বিভিন্ন স্থানে বেশ আগে থেকেই কয়েকটি পাচঁ তারকা, তিন তারকা ও ছোট-বড় অনেক হোটেল-মোটেল গড়ে উঠেছে।

লেখক: রিদওয়ানুল করিম
সাধারণ সম্পাদক – ওমান কেন্দ্রীয় কমিটি
হাডসন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এসোসিয়েশন (হিবা)