১৮ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির আশঙ্কা

211

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলা এবং যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় গতকাল বুধবার বয়ে যাওয়া মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আজ বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী দুই দিনে হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আগামী দুই দিনে হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, গতকাল রাজশাহী ও রংপুরের সব জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। এ ছাড়া খুলনা ও ঢাকা বিভাগের বেশির ভাগ স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতে, ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খেপুপাড়ায়, ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজশাহীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

রাজশাহীতে গতকাল বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। রাজশাহীর আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক হেলেন খান জানান, গতকাল রাজশাহীতে ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এটি ছিল চলতি শীত মৌসুমে রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

উত্তরে বাড়ছে শীতের দাপট

দেশের উত্তরাঞ্চলে ক্রমেই শীতের দাপট বাড়ছে। বিভাগীয় শহর রংপুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। গতকাল জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনে ঠাণ্ডার কারণে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বেড়েছে।

নীলফামারীতে শৈত্যপ্রবাহে জনদুর্ভোগ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে গতকাল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

সৈয়দপুর আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, ‘বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় আট কিলোমিটার। ১৫ জানুয়ারির পর মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা আছে।’