নতুন পুরনো মিলিয়ে সুনাকের মন্ত্রিসভা

13

মঙ্গলবার ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে আসার পরই মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ শুরু করেছেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। লিজ ট্রাসের মন্ত্রিসভার কেউ কেউ তাতে স্থান পেয়েছেন। অনেক জায়গাতেই এসেছেন নতুন মুখ। বা দায়িত্বে হয়েছে রদবদল।

সুনাকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচতি পেনি মর্ডান্টকেও দেওয়া হয়েছে হাউস অব কমন্সে দলনেতার মত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন সুয়েলা ব্রেভারম্যান। ঋষির পূর্বসূরি লিজ ট্রাস মন্ত্রিসভা থেকে গত সপ্তাহেই পদত্যাগ করেছিলেন ব্রেভারম্যান।

লিজ ট্রাস প্রশাসনের অনেকেই তাঁর মন্ত্রিসভায় থেকে গেছেন। সুনাকের মন্ত্রিসভায় থাকছেন লিজ ট্রাসের সরকারের অর্থমন্ত্রী জেরেমি হান্ট। ট্রাস সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসও দায়িত্বে বহাল থাকবেন। এ ছাড়া ডমিনিক রাব উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বের পাশাপাশি বিচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। মাইকেল গোভ লেভেলিং আপ মন্ত্রী হিসেবে ক্যাবিনেটে ফিরেছেন। কেমি ব্যাডেনক আবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী হয়েছেন। মিশেল ডোনেলান বহাল আছেন মিডিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী পদে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদে ফিরে আসছেন স্টিভ বার্কলে। তিনি থেরেস কফির স্থলাভিষিক্ত হবেন যিনি পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
 
লিজ ট্রাস সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করেছেন ঋষি সুনাক। তাদের অন্যতম হচ্ছেন গ্রান্ট শ্যাপস, যিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। সাইমন হার্ট চিফ হুইপের দায়িত্ব পেয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব বর্তেছে জিলিয়ান কিগানের ওপর।

মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে কনজারভেটিভ পার্টির দায়িত্বশীল পর্যায়েও বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

রক্ষণশীল দলের প্রধান হয়েছেন ইরাকি বংশোদ্ভূত নাদিম জাওয়াহি। এ ছাড়া তিনি দপ্তরহীন মন্ত্রীর মর্যাদায় থাকবেন। টরি এমপিদের নেতৃত্ব নির্বাচনে ঋষি সুনাকের প্রতিদ্বন্দ্বী পেনি মর্ডান্ট হাউস অব কমন্সে দলনেতা হয়েছেন। সূত্র: বিবিসি।