প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

1

গত ১৩/৯/২২ ইং তারিখে দৈনিক বাংলার নবকন্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতায় কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগ নেত্রী খাদিজা আক্তার শিল্পীর নেতৃত্বে মিরপুর পল্লবী এলাকায় হামলা, লুটপাট, জবরদখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়।

উক্ত সংবাদের বিষয়ে খাদিজা আক্তার শিল্পী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।তিনি জানান প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। উক্ত ঘটনার সাথে তিনি বা তাহার সংগঠন বাংলাদেশ যুব মহিলালীগ  কোনভাবেই জড়িত নয়। এছাড়া তিনি মিরপুরে চেতনা বহুমূখী সমবায় সমিতির একজন সদস্য। খাদিজা আক্তার শিল্পী আরো জানান, আমার জনপ্রিয়তায় ঈশ্বান্বিত হয়ে আমার সন্মান ক্ষুন্ন করতেই আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্রমুলক নানা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। আমাকে হামলা, লুটপাট , জবরদখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীর লিডার আখ্খা দিয়ে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি মিরপুর পল্লবী এলাকায় সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে সবসময় পাশে থাকি।আমার দ্বারা অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ নির্যাতিত হচ্ছেন বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, আপনারা নিজেরা সরেজমিনে এসে এখানে বসবাসরত মানুষের সাথে কথা বলেন, যদি কেউ অভিযোগ করে তবে যেকোন শাস্তি আমি মাথা পেতে নেব।

ছবি: হোসনে আরা শিল্পি ও মো: সাইফুল আলম।

সরেজমিনে গিয়ে মিরপুর পল্লবী এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা সকলে জানিয়েছেন যে, যুব মহিলা লীগ নেত্রী খাদিজা আক্তার শিল্পী ভাল মানুষ। সে কোন প্রকার চাঁদাবাজি, জবরদখল, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, লুটতরাজ এবং কোন প্রকার অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত নয়। সে সবসময় বিপদে আপদে আমাদের পাশে থেকে সাহায্য করার চেষ্টা করে। খাদিজা আক্তার শিল্পীর মতো একজন পরোপকারী নেত্রী আমাদের পাশে দরকার। এই মিথ্যা , বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ যারা করেছে তারা এলাকার ভাল চায় না। নেত্রীকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এগুলো করেছে। আমরা সাধারণ জনগণ এর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

উল্লখ্য, সরেজমিনে গিয়ে আরো জনা যায়, চেতনা বহুমুখী সমবায় সমিতির সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও বর্তমান পরিচালক, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হোসনে আরা শিল্পি এবং তার আপন ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ১ নং সহ-সম্পাদকমো: সাইফুল আলম দুইজনে মিলে সমিতির সকল গ্রাহকগণের মতামত ছাড়াই জমি বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠে, যাহা সমবায় অধিদপ্তরের তদন্তে উঠে আসে। এই ঘটনায় সমিতির পক্ষ থেকে সর্বসন্মতিক্রমে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। আর এই সমন্বয় কমিটির আহবায়ক করা হয় সমিতির সদস্য ও যুব মহিলা লীগের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সস্পাদক খাদিজা আক্তার শিল্পীকে। এই আহবায়ক কমিটি ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধার করার জন্য প্রতিবাদ করে। আর প্রতিবাদ করার কারণেই সমিতির পরিচালক মো: সাইফুল আলম এবং তার বোন হোসনে আরা শিল্পি ক্ষিপ্ত হয়ে খাদিজা আক্তার শিল্পীর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে পত্রিকায় ও অনলাইন টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রচার করে। এই সংবাদ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় খাদিজা আক্তার শিল্পী এবং সমিতির সকল সদস্যগণ।

খাদিজা আক্তার শিল্পী

সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পদক

বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ

সদস্য, প্রতিনিধি চেতনা গ্রাহক সমিতি

৭০০, মনিপুর, মিরপুর-২, ঢাকা-১২১৬।