দুই বাংলার বাণিজ্যে গুরুত্ব

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের আরও উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। বুধবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ক আলোচনা চক্রে এমনই মন্তব্য করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রদূত আন্দালিব ইলিয়াস। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শহিদ দিবস উপলক্ষে ভারত–বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ক এই আলোচনা চক্রে উভয় দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে বিভিন্ন সমস্যার কথাও উঠে আসে।

তবে ৭০টিরও বেশি দ্বিপাক্ষিক যৌথ কমিশন ও গোষ্ঠী সমস্ত সমস্যার সমাধানে কাজ করে চলেছে বলে জানান উপরাষ্ট্রদূত। বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত পররাষ্ট্রনীতির কথা মাথায় রেখে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্রই হল সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বাংলাদেশ উপদূতাবাসের প্রথম সচিব (বাণিজ্য) শামসুল আরিফ বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

উভয় দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রে ট্যারিফ, নন–ট্যারিফ ও প্যারা–ট্যারিফ সমস্যার বিষয়ে আলোকপাত করেন সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিত। তিনি জানান, ভারত বা বাংলাদেশ থেকে সুদূর জার্মানিতে পণ্য আমদানি–রপ্তানির খরচ প্রতিবেশী দু’‌দেশের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি খরচের তুলনায় অনেক কম। আলোচনা সভায় পৌরোহিত্য করেন প্রেস ক্লাব, কলকাতার সভাপতি স্নেহাশিস শূর। সকলকে ধন্যবাদ জানান ক্লাবের সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক। সকলেই একমত, ব্যবসায়িক সম্পর্কের উন্নতির আরও সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আরও উন্নতি হবে বলে সকলেই আশা প্রকাশ করেন।