পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা: হানিফ

140

ভিনিউজ- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, একুশ আগস্টের গ্রেনেড হামলার দায়ভার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকেই বহন করতে হবে। হামলার ঘটনায় বিএনপি যদি জড়িত না থাকে তাহলে কেন এত নাটক-মিথ্যাচার করা হলো।পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আলোচনা সভায় মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন শ্রম এ জনশক্তি বিয়য়ক প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান, আওয়ামী লীগের সাংগঠিন সম্পাদক আফজাল হোসেন, অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আ স ম সামছুল আরেফিন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচীব সাজ্জাদুল হাসান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার রোটন প্রমুখ ।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা। একাত্তরের পরাজিত শক্তি ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরবর্তীতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য একুশ আগস্টের গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরাই এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পাকিস্তান, পশ্চিমা শক্তি ও বাংলাদেশের এজেন্টরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আর এই এজেন্টের প্রধান ছিলেন জিয়াউর রহমান।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া ইনডেমনিটি আইন করে খুনিদের রক্ষা করেছিল। খুনিরা যেন জিয়ার নাম না বলে এজন্যই তাদের ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছিল। জিয়া যদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকে, তাহলে খুনিদের বিচার কেন করেননি। তাদের বিচার করতে তার কী সমস্যা ছিল। সে উল্টো তাদের পুরস্কৃত করেছিল।

আওয়ামী লীগ কর্মীদের উদ্দেশে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, এখনো পরাজিত শক্তি উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য আন্দোলনের নামে নাশকতা ও জ্বালাও-পোড়াও করার চিন্তাভাবনা করছে। তাদের প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, একুশ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানসহ পলাতকদের অচিরেই দেশে এনে বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে এবং তাদের দল বিএনপির বিচারও করতে হবে। খুনি ও সাম্প্রদায়িক দল বিএনপিকে কানাডার আদালত সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছিলো।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আ স ম সামছুল আরেফিন, বলেন, নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে । তাদের বঙ্গবন্ধুর বই পাঠ করাতে হবে। বাড়িতে বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর জীবন ভিত্তিক বই রাথতে হবে।