কলকাতার সহোদরা হতে চায় রাজশাহি

 

ভিনিউজ ডেস্ক -বেশ খানিকটা পিছিয়ে বাংলাদেশের রাজশাহি পুরসভা। সুযোগ পেলে কলকাতা পুরসভার সহযোগিতা পেয়ে রাজশাহি পুরসভাও হতে চায় কলকাতার মতো উন্নত। হতে চায় সহোদরা শহর (সিস্টার সিটি)। এ নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান রাজশাহি পুরসভার মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। রবিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে ২০০৪ সালে ঢাকায় শেখ হাসিনার সভায় গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে স্মরণসভার পর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
রাজশাহির মেয়র বলেন, খুব শিগগিরই তিনি এ বিষয়ে কলকাতার মেয়রের কাছে প্রস্তাব নিয়ে আসবেন। ‘সুযোগ হলে সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর করতে চাই।‘ সামনের বছর রাজশাহি পুরসভার নির্বাচন। সম্ভব হলে তার আগেই এ নিয়ে কাজ এগোতে চান তিনি। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চীনের সহযোগিতা নিচ্ছে। তবে শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর অন্য সব বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।’
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভায় গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। সে সময় তিনি ছিলেন বিরোধী দলনেত্রী। সে বিষয়ে বলতে গিয়ে রাজশাহি পুরসভার মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যার পর বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তান বানানোর প্রয়াস শুরু হয়। তারই অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার সভায় ওই গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। যে আর্জেস–৮৪ গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছিল, তা পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ব্যবহার করে থাকে। ঘটনায় ২৪ জনের মৃত্যু হয়। জখম হন ৩০০ জন। আজও একইরকম চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা চিহ্নিত। কিন্তু তাদের সঙ্গে আর কারা কারা ছিল? জানতে বাংলাদেশে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।’
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন বাংলাদেশের সাংসদ আরোমা দত্ত, সাংবাদিক দিলীপ চক্রবর্তী। স্বাগত ভাষণ দেন প্রেস ক্লাব, কলকাতার সভাপতি স্নেহাশিস সুর। সমাপ্তি ভাষণ দেন সভার আয়োজক সংস্থা বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইডের আহ্বায়ক সৌম্যব্রত দাস। সভার শুরুতে রাজশাহির মেয়র প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী শাহিন আখতার রেনি।

-আজকাল ২২ আগষ্ট ২০২২