ধনী দেশগুলি আগ্রাসীভাবে জ্বালানি ক্রয় করছে, অস্থিরতা বাড়ছে দরিদ্র দেশগুলোতে

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী খবর প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ। তারা জানিয়েছে, ধনী দেশগুলো বেশি দাম দিয়ে পর্যাপ্ত জ্বালানি ক্রয় করতে সক্ষম হচ্ছে। এদিকে, বেশি দাম দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জ্বালানি পাচ্ছে না উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো। আমদানিকৃত যে জ্বালানি ভারত-পাকিস্তানে যাওয়ার কথা ছিল তা যাচ্ছে ইউরোপে। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় তা কেনা স্থগিত করছে আর্জেন্টিনা।

পাকিস্তানের সরকার রোলিং ব্ল্যাকআউট শুরু করছে এবং বিদ্যুতের বিল বাড়িয়ে দিচ্ছে। পাকিস্তান সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোয় দেশটিতে বিক্ষোভ হয়েছে। বাংলাদেশেও জ্বালানি সাশ্রয়ের নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাত ৮টায় দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেক্সিকো সরকার আবাসিক বিদ্যুতের খরচ কমানোর জন্য ভর্তুকি বাড়িয়েছে।

মহামারী করোনাভাইরাসের পর রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের ফলে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। এর মধ্যে সামনের শীতে নাগরিকদের জন্য জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লড়াইয়ে উন্নত দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে আছে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো। মুদ্রার দুর্বল মানের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। নিয়মিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে জ্বালানি আমদানি করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে শ্রীলঙ্কাকে।

ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ‘জ্বালানি খাতে জিডিপির ২ থেকে ৪ ভাগ ব্যয় করছে উন্নত দেশগুলো। কিন্তু উদীয়মান দেশগুলোতে এ ব্যয় ছাড়িয়েছে  ২৫ ভাগ (জিডিপির)।