মির্জাপুরে মন্দিরের তিনটি মূর্তি ভাংচুর ৫০/৬০টি গাছ কাটার অভিযোগ

কাজল আর্য,স্টাফ রিপোর্টার:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি মন্দিরের তিনটি মূর্তি ভাংচুর ও ৫০/৬০ টি ফলজ গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আবুল খায়ের বকসীর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জনের একটি দল উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের ভুষুন্ডি গ্রামের রথখোলা মন্দিরের কালীমূর্তি, স্বরসর্তীমূর্তি ও রাধাকৃষ্ণ মূর্তি ভাংচুর করে। এছাড়া মন্দিরের সীমানার ৫০/৬০টি ফলজ গাছ কেটে ফেলে। আবুল খায়ের বকসী বানাইল ইউনিয়নের ভূষুন্ডি গ্রামের নাসির উদ্দিন বকসীর ছেলে।

এ ঘটনায় মন্দির কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জগদীশ চন্দ্র প্রামানিক বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০/১২ জনকে অজ্ঞাতনামা রেখে রাত এগারোটার দিকে থানায় অভিযোগ দেন বলে জানা গেছে। এসময় ভূষুন্ডি রথখোলা মন্দির কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক দুলাল শীল, সদস্য কুরান মন্ডল, প্রভাস চন্দ্র সৈদালসহ মন্দির কমিটির ২০/২৫ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনার সাথে জড়িত আবুল খায়ের বকসীর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে আবুল খায়ের বকসীর চাচাতো ভাই অন্য অভিযুক্ত বানাইল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বকসী জানান, তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িত নন। তিনি উপজেলার লতিফপুর গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে আছেন বলে জানান।

মন্দির কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জগদীশ চন্দ্র প্রামানিক বলেন, বিকেলে তার সামনেই আবুল খায়ের বকসীর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে মন্দিরে হামলা চালিয়ে তিনটি মূর্তি ভাংচুর করে। এছাড়া ৫০/৬০টি ফলজ গাছ কেটে ফেলেছে। আমি ওই সময় বাধা দিলে তারা আমার ওপর হামলা চালাতো। ভয়ে আমি কিছু বলিনি। রাতে বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০/১২ জনকে অজ্ঞাতনামা রেখে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে