মিথ্যাচারের নোবেল পুরস্কার থাকলে তা পেতেন মির্জা ফখরুল : সেতুমন্ত্রী

113

লুটপাট আর মিথ্যাচার বিএনপির অস্থি মজ্জায় মিশে আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বেশি টাকার বাজেট দিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার জানিয়ে তিনি বলেন, বাজেট দেখে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের মুখে শ্রাবণের কালো মেঘের ছায়া পড়েছে। মিথ্যাচার আর লুটপাটের উপর যদি নোবেল পুরস্কার থাকতো তাহলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল তা পেতেন।

আজ শুক্রবার সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের অন্তর্গত দারুসসালাম থানা এবং নয় ও দশ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এসব কথা বলেন। 

বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও কর্ণফুলী টানেলসহ বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্প নির্মাণ করায় শেখ হাসিনার কি অপরাধ? 

 

নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, বেগম জিয়া এক সময় বলেছিলেন- শিশু ও পাগল ছাড়া দেশে নিরপেক্ষ কেউ নেই, তাহলে বিএনপি কি পাগল ও শিশুকে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকার বানাতে চায়? 

পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান টেমস নদীর ওপার থেকে বিএনপি নেতাদের কাছে পাচার করা টাকা পাঠিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করছে- এমন অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহবান জানান। 

আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হলে দলের দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের বাঁচাতে হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে আওয়ামী লীগ। 

আওয়ামী লীগে ভালো লোকের অভাব নেই তাই খারাপ লোকদের দলে রাখার কোন প্রয়োজন নেই বলেও এসময় মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। পদ্মাসেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শুনে সারাদেশের মানুষের মুখে হাসি কিন্তু বিএনপি নেতাদের মনে বড় কষ্ট বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মাজহারুল আনামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ও সংসদ সদস্য আগা খাঁন মিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।