ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সম্পাদক সাজ্জাদ আলম তপু

Social Share

 

ভিনিউজ-

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিউজে) একাংশের নির্বাচনে সভাপতি পদে কুদ্দুস আফ্রাদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে সাজ্জাদ আলম তপু নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার দৈনিক সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন।

নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে মাত্র ৪ ভোটের ব্যবধানে পেছনে ফেলেন কুদ্দুস আফ্রাদ। তিনি পেয়েছেন ৬৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু জাফর সূর্য পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। তুলনায় সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী সাজ্জাদ আলম খান তপুর জয়ের ব্যবধান খানিকটা বেশি। তিনি পেয়েছেন ৪৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মেহেদী হাসান পান ৪৩১ ভোট।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ৬৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এম এ কুদ্দুস। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোজাম্মেল হক পেয়েছেন ৪৪৬ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজয়ী হয়েছেন খায়রুল আলম। তিনি পেয়েছেন ৭৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল পেয়েছেন ৫৩৮ ভোট। সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ পদে বিজয়ী হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৬৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করীম পেয়েছেন ৫৪৭ ভোট।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিজয়ী জিহাদুর রহমান জিহাদ পেয়েছেন ৬৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ৫৪৪ ভোট পেয়ে মামুন আবেদিন। এছাড়াও প্রচার সম্পাদক পদে ৬৩৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আসাদুজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এ কে এম ওবায়দুর রহমান পেয়েছেন ৪৯২ ভোট। জনকল্যাণ পদে ৫১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সোহেলী চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সমীরণ রায় পান ৪৬৮ ভোট।

এছাড়াও ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৫৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন দুলাল খান। তার নিকটতম মহিউদ্দিন পলাশ পান ৫২৩ ভোট।
দফতর সম্পাদক পদে জয়ী জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী পেয়েছেন ৬২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এসএম সাইফ আলী পেয়েছেন ৫৪০ ভোট।

নির্বাচিত ৯ জন সদস্য হচ্ছেন সুরাইয়া অনুু (৭৭১ ভোট), এম মাসুদ ঢালী (৬৮৮ ভোট), সাকিলা পারভীন (৬৫০ ভোট), শাহনাজ পারভীন এলিস (৬১২ ভোট), রাজু হামিদ (৬৫১ ভোট), ইব্রাহীম খলিল (৬৪৪ ভোট), সলিমুল্লাহ সেলিম (৫০৩ ভোট), মোহসিন ব্যাপারী (৫০১ ভোট), এম শাহজাহান মিঞা (৪৫৩ ভোট)।

এর আগে সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে। এবার বিভিন্ন পদে মোট ৮৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।