শ্রদ্ধাঞ্জলী : সাম্য, প্রেম ও বিদ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলাম

জয়ন্ত আচার্য
সিনিয়র সাংবাদিক – গবেষক

ভিনিউজ:  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আকাশে কাজী নজরুল ইসলাম এক অনন্য দীপ্তিমান নক্ষত্র। তিনি একই সঙ্গে সাম্যের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি এবং বিদ্রোহের কবি। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার অমর আহ্বান। কবিতার পংক্তি, গানের সুর, গল্প-উপন্যাসের চরিত্র কিংবা সাংবাদিকতার ভাষা-সবখানেই তিনি মানুষকে জাগাতে চেয়েছেন। তাই নজরুল শুধু একটি যুগের কবি নন; তিনি সব সময়ের, সব মানুষের কবি।

আজ ২৯ আগস্ট ২০২৬। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর অর্ধশতাব্দী পরও তাঁর কণ্ঠের সেই বিদ্রোহী উচ্চারণ বাঙালির হৃদয়ে অনুরণিত হয়। তাঁর মৃত্যুদিন তাই কেবল শোকের দিন নয়; এটি তাঁর আদর্শ, সাহিত্য, মানবিকতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন করে স্মরণ করার দিন।

১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। জন্ম থেকেই তাঁর জীবন ছিল নানা প্রতিকূলতায় ঘেরা। পিতা কাজী ফকির আহমদের মৃত্যুর পর পরিবারের আর্থিক সংকট আরও তীব্র হয়। অল্প বয়সেই তাঁকে জীবিকার সন্ধানে নামতে হয়েছিল। মক্তবে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেছেন, মাজারের সেবায় যুক্ত ছিলেন এবং পরে লেটোর দলে যোগ দেন। জীবনের এই বিচিত্র অভিজ্ঞতাই তাঁর সাহিত্যিক সত্তাকে গভীরভাবে সমৃদ্ধ করেছিল।

লেটোর দলে থাকা অবস্থায় নজরুল গান, কবিতা ও নাট্যরচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হন। একই সঙ্গে বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্য এবং হিন্দু ধর্মগ্রন্থের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। অন্যদিকে মক্তব ও মসজিদের জীবন তাঁকে ইসলামী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে। ফলে পরবর্তী জীবনে তাঁর সাহিত্য হয়ে ওঠে বহুধারার সংস্কৃতির এক অসাধারণ মিলনভূমি। ইসলামী গান, শ্যামাসংগীত, বৈষ্ণব ভাবধারা, পুরাণের উপাদান এবং মানবতাবাদী দর্শন-সবকিছুকে তিনি নিজের সৃষ্টিশীলতার মধ্যে ধারণ করেছিলেন।

দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও নজরুলের শিক্ষার আকাঙ্ক্ষা থেমে থাকেনি। রাণীগঞ্জের সিয়ারসোল রাজ স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি পড়াশোনা করেন। কিন্তু আর্থিক সংকট এবং জীবনের নানা টানাপোড়েনে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। ১৯১৭ সালের শেষদিকে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ৪৯ বেঙ্গল রেজিমেন্টে সৈনিক হিসেবে প্রায় আড়াই বছর কাটান। করাচি সেনানিবাসে অবস্থানকালেই তাঁর সাহিত্যচর্চা আরও গভীর হয়। সেখানে বসেই তিনি ‘বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী’, ‘মুক্তি’, ‘হেনা’, ‘ব্যথার দান’, ‘মেহের নেগার’সহ বিভিন্ন রচনা করেন।

সৈনিক জীবন শেষে কলকাতায় ফিরে নজরুল সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় পুরোপুরি আত্মনিয়োগ করেন। ‘নবযুগ’ পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর সাংবাদিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়। পরবর্তীকালে ‘লাঙল’ ও ‘ধূমকেতু’র মতো পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি সমাজ ও রাজনীতির নানা অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কলম ধরেন। সাংবাদিকতা তাঁর রাজনৈতিক চেতনাকে আরও শাণিত করে। শোষণ, সাম্রাজ্যবাদ, বৈষম্য ও সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ক্রমশ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ তাঁর কালজয়ী কবিতা ‘বিদ্রোহী’। ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কবিতা বাংলা কবিতার গতিপথে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এখানে কবি নিজেকে কেবল একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং নিপীড়িত মানুষের সম্মিলিত প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর সেই অমর উচ্চারণ-“মহা-বিদ্রোহী রণক্লান্ত / আমি সেই দিন হব শান্ত”-আজও অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

নজরুলের বিদ্রোহ ছিল কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়; তাঁর বিদ্রোহ ছিল অন্যায়, শোষণ, অত্যাচার, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে। তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজ, যেখানে মানুষের মর্যাদা হবে সর্বোচ্চ। তাঁর কাছে ধর্ম মানুষের বিভাজনের কারণ নয়; বরং মানবিকতার পথে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতি তাঁর সাহিত্যজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁর নিজের বক্তব্যেও এই চেতনা স্পষ্ট-তিনি দুই সম্প্রদায়কে এক জায়গায় এনে বিভেদের বদলে ভালোবাসার বন্ধনে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন।

নজরুল ছিলেন সাম্যেরও কবি। সমাজে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য, শোষিত মানুষের বঞ্চনা এবং শ্রেণিগত অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ছিলেন। ‘সাম্যবাদী’ ও ‘সর্বহারা’ কবিতাগুচ্ছে তাঁর সমতার দর্শন বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে। মানুষের পরিচয় তার ধর্ম, জাত, শ্রেণি বা সম্পদে নয়—মানুষ হিসেবে তার মর্যাদাই তাঁর কাছে মুখ্য। তাঁর বিখ্যাত উচ্চারণ, “মানুষ এনেছে গ্রন্থ, গ্রন্থ আনেনি মানুষ”-মানুষকেন্দ্রিক তাঁর দর্শনের শক্তিশালী প্রকাশ।

নজরুলের প্রেমও ছিল বহুমাত্রিক। ব্যক্তিগত প্রেমের পাশাপাশি দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি প্রেম এবং সৌন্দর্যের প্রতি গভীর আকর্ষণ তাঁর সৃষ্টিতে প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর গান ও কবিতায় যেমন প্রেমিকের আকুলতা আছে, তেমনি আছে মাতৃভূমির জন্য ভালোবাসা এবং নিপীড়িত মানুষের মুক্তির স্বপ্ন। ফলে তাঁর প্রেম ও বিদ্রোহ পরস্পরের বিপরীত নয়; বরং একই মানবিক দর্শনের দুই দিক।

সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় নজরুল তাঁর স্বাতন্ত্র্যের ছাপ রেখে গেছেন। ‘অগ্নিবীণা’, ‘বিষের বাঁশী’, ‘চক্রবাক’, ‘দোলনচাঁপা’, ‘ফণীমনসা’ প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ বাংলা কবিতাকে নতুন ভাষা, ছন্দ ও ভাবনার সঙ্গে পরিচয় করিয়েছে। ‘কুহেলিকা’ ও ‘মৃত্যুক্ষুধা’র মতো উপন্যাসে উঠে এসেছে সমাজ, রাজনীতি ও মানুষের জীবনসংগ্রামের নানা দিক। গল্প, প্রবন্ধ, নাটক ও চলচ্চিত্রেও তাঁর সৃষ্টিশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।

তবে নজরুলের সবচেয়ে বিস্ময়কর সৃষ্টিশীলতার ক্ষেত্রগুলোর একটি হলো সংগীত। তাঁর গান ‘নজরুলগীতি’ নামে বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। প্রেম, প্রকৃতি, দেশাত্মবোধ, ইসলামী ভাবধারা, শ্যামাসংগীত, ভক্তি, বিরহ-প্রায় সব বিষয়েই তিনি গান লিখেছেন। বিভিন্ন রাগ-রাগিণীর সৃজনশীল ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলা গানে তিনি এক নতুন বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেন।

চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও নজরুলের অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনা, অভিনয়, কাহিনী রচনা, গীত রচনা, সুরারোপ ও সংগীত পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ‘ধূপছায়া’ চলচ্চিত্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি ‘জামাই ষষ্ঠী’, ‘গৃহদাহ’, ‘ধ্রুব’, ‘পাতালপুরী’, ‘গোরা’, ‘সাপুড়ে’সহ বিভিন্ন চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

নজরুলের রাজনৈতিক জীবনও ছিল বৈচিত্র্যময়। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপসহীন। ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক বক্তব্য প্রকাশ করেন। ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশের পর পত্রিকাটি নিষিদ্ধ হয় এবং নজরুল গ্রেপ্তার হন। রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাবন্দী হয়ে তিনি যে জবানবন্দি দেন, তা পরবর্তীকালে ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ নামে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করে। কারাগারেও তাঁর সৃষ্টিশীলতা থেমে থাকেনি।

নজরুলের জীবন যেমন সংগ্রামে পরিপূর্ণ, তেমনি তাঁর ব্যক্তিজীবনেও ছিল সুখ-দুঃখের নানা অধ্যায়। প্রমীলা দেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও বিবাহ ছিল তৎকালীন সামাজিক বাস্তবতায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁদের পারিবারিক জীবনও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত হয়। ধর্মীয় ও সামাজিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে নজরুল যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন, তাঁর ব্যক্তিজীবনেও তার প্রতিফলন দেখা যায়।

কিন্তু জীবনের এক পর্যায়ে নির্মম অসুস্থতা তাঁর সৃষ্টিশীল জীবনের ওপর আকস্মিক পর্দা নামিয়ে দেয়। ১৯৪২ সালে তিনি গুরুতর স্নায়বিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হন এবং ধীরে ধীরে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তী সময়ে দেশে-বিদেশে তাঁর চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও আর সুস্থ হয়ে ওঠেননি। এভাবেই জীবনের দীর্ঘ সময় তাঁকে সাহিত্য ও সংগীতচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়।

বাংলাদেশের সঙ্গে নজরুলের সম্পর্ক তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে তাঁকে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনা হয়। তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায় কাটে স্বাধীন বাংলাদেশে। বাংলাদেশ তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয় এবং তাঁর রচিত ‘চল্‌ চল্‌ চল্‌’ বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করে। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন কবি। তাঁর নিজের গানে ছিল-“মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই”-এই ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

আজ তাঁর মৃত্যুর ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এই অর্ধশতকে পৃথিবী বদলেছে, সমাজ বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে; কিন্তু নজরুলের সাহিত্য ও দর্শনের প্রয়োজন ফুরায়নি। বরং আজকের সাম্প্রদায়িক বিভাজন, সামাজিক বৈষম্য, অন্যায়, শোষণ ও মানুষের প্রতি মানুষের অসহিষ্ণুতার সময়ে নজরুল আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন-মানুষের ওপর কোনো অন্যায় চিরস্থায়ী হতে পারে না, সত্যের কণ্ঠকে চিরদিন স্তব্ধ করে রাখা যায় না।

নজরুলকে স্মরণ করার সবচেয়ে বড় উপায় শুধু তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে তার সমাধিতে শুধু ফুল দেওয়া নয়; তাঁর মানবিক আদর্শকে জীবনে ধারণ করা। তাঁর সাম্যের দর্শনকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা, তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে লালন করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে দাঁড়ানো এবং মানুষের মর্যাদাকে সর্বোচ্চ মূল্য দেওয়া-এটাই হতে পারে তাঁর প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা।

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে যে আগুন জ্বেলে গেছেন, তা নিছক বিদ্রোহের আগুন নয়; সেটি অন্যায়ের অন্ধকার দূর করার আগুন। তাঁর প্রেম দুর্বলতার প্রেম নয়; সেটি মানুষকে মানুষের কাছে টেনে আনার শক্তি। তাঁর সাম্য কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়; সেটি মানুষের মর্যাদার দর্শন।

জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাই তাঁকে স্মরণ করি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায়। যতদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের কণ্ঠ উচ্চারিত হবে, যতদিন সাম্যের স্বপ্ন মানুষকে পথ দেখাবে, যতদিন প্রেম ও মানবতার প্রয়োজন থাকবে-ততদিন কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের সঙ্গে থাকবেন। তাঁর কবিতা আমাদের জাগাবে, তাঁর গান আমাদের হৃদয় স্পর্শ করবে, তাঁর বিদ্রোহ আমাদের সাহস দেবে এবং তাঁর মানবতা আমাদের পথ দেখাবে।

 

 

পূর্বের খবরমক্কা প্যাক্টে প্রস্তাব পেলে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বাংলাদেশ: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পরবর্তি খবররাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!