মেয়র প্রার্থী হতে শিবির ছাড়লেন সাদিক কায়েম, জকসু ভিপিরও বিদায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েমসহ ৯ নেতা বিদায় নিয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির। এই তালিকায় রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলামও। সোমবার তারা সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির ইতি টানেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হতে পারেন সাদিক কায়েম। তবে তিনি বলেছেন, জাতীয় রাজনীতিতে যোগ দিতে ছাত্র সংগঠন থেকে বিদায় জানিয়েছেন। ডাকসুর মেয়াদ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতিতে থাকছেন। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন।

শিবির থেকে বিদায় নেওয়া নেতারা হলেন- আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম, মিডিয়া সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী, মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক সম্পাদক শরীফ মাহমুদ,  ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান মুহিব, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান এবং দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে জয় পায় সাদেক কায়েমের নেতৃত্বাধী শিবিরের প্যানেল। ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁরা দায়িত্বগ্রহণ করেন। এ হিসেবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের মেয়াদ শেষ হবে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন না হলে আরও তিন মাস দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এ হিসেবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডাকসু ভিপি পদে থাকতে পারবেন সাদেক কায়েম।

এর আগেই কেন ছাত্র সংসদের ভিপিরা শিবির ছাড়লেন প্রশ্নে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিগবা সমকালকে বলেছেন, ছাত্রশিবিরে বছরের শুরুতে একবার এবং জুলাইয়ে আরেকবার নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। যা ষাণ্মাসিক সেটআপ নামে পরিচিত। যারা বছরের মাঝামাঝি সময়ে ছাত্ররাজনীতির ইতি টেনে পেশাজীবনে বা জাতীয় রাজনীতিতে যেতে চান, তাদের বিদায় দেওয়া হয় এর মাধ্যমে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি ছিলেন সাদিক কায়েম। সেই সময়ে শিবির কার্যত নিষিদ্ধ থাকায় আড়ালে ছিলেন এই ছাত্রনেতা। পরবর্তীতে অভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা সামনে এলে আলোচনা ও বিতর্ক হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে জামায়াত সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হিসেবে তৎপরতা চালাচ্ছেন দলটির নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। অন্যান্য সিটিতেও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন। তবে দক্ষিণে কারো নাম ঘোষণা করেনি জামায়াত। এখানে মেয়র প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের কারো তৎপরতাও নেই। তবে দলীয় সূত্রের খবর, সাদিকই হবেন দলের প্রার্থী। তিনি বলেছেন, ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান জানাবেন।

পূর্বের খবরটানা তৃতীয় রাতে ইরানে মার্কিন হামলা, হরমুজে ট্যাংকারে আঘাত তেহরানের
পরবর্তি খবরশতাধিক যুগ্মসচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সংযুক্ত
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

RSS
Follow by Email
Copy link
URL has been copied successfully!