ভিনিউজ ডেস্ক : ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী যেভাবে সফলভাবে একের পর এক হিট সিনেমা-সিরিজ উপহার দিয়ে চলেছেন, তেমনই দারুণভাবে সামলাচ্ছেন সংসার, দুই সন্তান। আপাতত দেবের সঙ্গে তাঁর সিনেমা মুক্তির অপেক্ষা। পুরনো এক সাক্ষাৎকারে রাজ-পত্নী খোলসা করেছিলেন বিচ্ছেদ যন্ত্রণা।
আপাতত দেব আর শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্য়ায়ের কেমিস্ট্রিতে বুঁদ নেটপাড়া। পুজোয় মুক্তি পাচ্ছে দেশু সাত। সম্প্রতি লাদাখ থেকে ফেরার পথে বিমানবন্দরে প্রাক্তন প্রেমিকাকে দেবের জড়িয়ে ধরার ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। একসময় একে-অপরের সঙ্গে গোটা জীবনটা কাটানোর স্বপ্ন দেখতেন। এখন যদিও দুজনের জীবন গড়িয়েছে অন্য খাতে। রাজের সঙ্গে সুখের সংসার শুভশ্রীর, তিনি দুই সন্তানের মা। অন্য দিকে, দেবও পেয়েছেন ভালোবাসা রুক্মিণী মৈত্রের মধ্যে। বছর দশেক মতো সম্পর্কে থাকলেও, বিয়েটা করেননি এখনো।?
তবে দেব ও শুভশ্রীর বিচ্ছেদের কারণ কোনোদিনই সামনে আসনি। কখনো শোনা যায় সম্পর্কে প্রবেশ করেছিল তৃতীয় ব্যক্তি! আবার কারও মতে, দেবের কমিটমেন্ট ফোবিয়াই এই সম্পর্ক ভাঙার কারণ। বিয়ে করতে চেয়েছিলেন শুভশ্রী, রাজি ছিলেন না দেব। তবে শুভশ্রী এক অনুষ্ঠানে এসে মা-বাবাকে পাশে নিয়েই অকপটে জানিয়েছিলেন যে বিচ্ছেদ-যন্ত্রণা কাটিয়ে বেরিয়ে আসা সহজ ছিল না তাঁর জন্য একেবারেই।
তবে একবারও দেবের নাম উঠে আসেনি সেখানে। না প্রাক্তন প্রেমিককে দোষারোপ করেছিলেন। বেশ শান্তভাবেই শুভশ্রী বলেছিলেন, ‘আমার জীবনের এমন একটা পর্যায় এসেছিল যখন কাজ থেকে আমার ফোকাসটা একদম সরে গিয়েছিল। যদিও সেটা আমার ডিসিশন ছিল। আফটার পরাণ যায়… আমি কাজটাই ছেড়ে দিয়েছিলাম।’ মেয়ের মুখে এমন কথা শুনে সেই সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন শুভশ্রীর মা-বাবাও।
‘যেটার জন্য ডিসিশনটা নিয়েছিলাম সেই জিনিসটা (প্রেম সম্পর্ক) যখন থাকলো না জীবনে….তখন আমি বুঝতে পারলাম জীবনটা খুব অনিশ্চিত। কিন্তু আমি আফসোস করি না যে কেন আমি আমার চারটে বছর নষ্ট করেছি!’, আরও বলেন শুভশ্রী। সঙ্গে জানান, জীবনের এই কঠিন সময় মা-বাবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেননি তিনি। আসলে সবসময় চাইতেন ভালোটাই মা-বাবার কাছে প্রকাশ করতে। অভিনেত্রীর জানান, বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে হয়তো গল্প করছেন, পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদে আসতেন।
‘যেই সময় আমি জিরো হয়ে গিয়েছিলাম, সেই সময় আমি ওই মানুষটাকে বলেছিলাম, দেখো আমার জীবনে কিন্তু ইনসিকিউরিটি নেই। কারণ আমার হারানোর কিছু নেই। আমার কিছুই নেই। আর ভগবানের আর্শীবাদে আমার কেরিয়ার তারপর থেকেই নতুন মোড় নেয়…’, বলেছিলেন অভিনেত্রী। অবশ্য এই সাক্ষাৎকার বেশ পুরনো। জীবনে ভালোবাসার ডালি নিয়ে এরপর আসেন রাজ। তাঁদের সুখী দাম্পত্য নিঃসন্দেহেতরুণ প্রজন্মের কাছে উদাহরণস্বরূপ। কীভাবে খ্যাতি, কাজের চাপ সামলেও দুজনে আগলে রাখেন একে-অপরকে।




