ভিনিউজ : ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক স্বার্থ এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দূরদর্শিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ঢাকা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে এ সফর নিয়ে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে ভারতের সঙ্গে দূরদর্শী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে কাজ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। দুই দেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এবং বৈঠকটি নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট। তবে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে জানতে চাইলে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, এ বিষয়ে তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই। সফরের আমন্ত্রণ এখনো উন্মুক্ত রয়েছে এবং দুই দেশের সরকারপ্রধান যখন উপযুক্ত সময় মনে করবেন, তখনই সফর ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
দীনেশ ত্রিবেদীর ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা-নয়াদিল্লির কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও যোগাযোগের মধ্যে মঙ্গলবারের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। বৈঠকে উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে।




