৭০ রানেই ৯ উইকেট শেষ দক্ষিণ আফ্রিকার, পাকিস্তানের চাই ৮৮ রান

46
Social Share

শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর বিরল স্বাদ পাওয়ার সুযোগ এসেছে পাকিস্তানের সামনে। করাচি টেস্টে আগেরদিন শেষ বিকেলেই ঘূর্ণি বিষের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন ইয়াসির শাহ ও নোমান আলী। তাদের স্পিন বিষে মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে প্রোটিয়ারা হারিয়েছিল ৩টি উইকেট। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) ম্যাচের চতুর্থ দিন আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করলেন ইয়াসির শাহ, নোমান আলিরা। যার ফলে মাত্র ৭০ রানে শেষের ৯ উইকেট হারিয়ে বসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

করাচিতে নিজেদের ঘরের মাঠে নতুন বছরের প্রথম টেস্টটি জিততে পাকিস্তান করতে হবে ৮৮ রান। স্বাগতিক স্পিনারদের ঘূর্ণি বিষে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হয়েছে ২৪৫ রানে। প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রানের লিড থাকায় পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮৮ রান।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হয় ২২০ রানে। জবাবে পাকিস্তান করে ৩৭৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৮ রানের বোঝা মাথায় নিয়ে খেলতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত ছিল প্রোটিয়াদের। মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই ১৭৫ রান করে ফেলেছিল তারা। কিন্তু এর পরের ৭০ রান করতেই বাকি ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে।

শুক্রবার ৪ উইকেটে ১৮৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগেরদিন এইডেন মারক্রাম ৭৪ ও রসি ফন ডার ডুসেন আউট হন ৬৪ রান করে। আজ আর কেউ তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। ফলে দিনের মাত্র ২৫.৩ ওভারেই শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে বসে প্রোটিয়ারা।

দলের পক্ষে খানিক লড়াই করেছেন টেম্বা বাভুমা। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার আগে ৯৩ বলে ৪০ রান করেন তিনি। এছাড়া হতাশ করেছেন অধিনায়ক কুইন্টন ডি কক (১৭ বলে ২), জর্জ লিন্ডেরা (২৯ বলে ১১)। যে কারণে ২৪৫ রানের বেশি করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা।

পাকিস্তানের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার নোমান আলি। পাকিস্তানের ১২তম বোলার ও প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে অভিষেকে ৫ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ২৫.৩ ওভার বোলিং করে মাত্র ৩৫ রানে তার শিকার ৫টি উইকেট। এছাড়া বর্ষীয়ান লেগস্পিনার ইয়াসির শাহ নিয়েছেন ৪ উইকেট।